ঈদের তৃতীয় দিন আজ। অল্প অল্প করে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা। তবে এখনো ফাঁকা রাজধানী ঢাকা। ফলে কর্মব্যস্ত নগরীর সড়কে ফেরেনি প্রাণঞ্চলতা। ঈদের প্রথম দুদিন ঢাকায় গণপরিবহনের উপস্থিতি ছিল কম। আজ চিত্র কিছুটা ভিন্ন। সড়কে গাড়ি চলাচল কিছুটা বাড়লেও যাত্রীর উপস্থিতি খুবই কম। ডেকে ডেকেও যাত্রী পাচ্ছে না বাসগুলো।
পরিবহন শ্রমিকদের ভাষ্য, ছুটি শেষ করে সাধারণ মানুষ ঢাকায় না ফেরায় এখনো যাত্রী সংকট রয়েছে। আগামীকাল ও পরশু থেকে যাত্রীর উপস্থিত বাড়বে বলেও আশা তাদের।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে রাজধানীর শ্যামলী, কল্যাণপুর ও আগারগাঁওসহ বেশ কয়েকটি এলাকার সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিগত দিনগুলোর তুলনায় সড়কে অভ্যন্তরীণ গণপরিবহন চলাচল বেড়েছে। তবে বাসস্টপেজগুলোতে কাঙ্ক্ষিত যাত্রীর উপস্থিতি দেখা মেলেনি। বেশির ভাগ গাড়ির আসনই ফাঁকা। বাসগুলা যাত্রীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকছে। একই সঙ্গে পরিবহন শ্রমিকরা হাঁক ছেড়ে যাত্রীদের ডাকছেন। কোথাও যানজট ও সিগনালে গাড়ির দীর্ঘ অপেক্ষা চোখে পড়েনি।
গাবতলী লিংক পরিবহনের চালকের সহকারী বিল্লাল বলেন, আজ রাস্তায় যাত্রী নেই। কাল থেকে যাত্রীর চাপ কিছুটা বাড়বে। আর পরশু থেকে আশাকরি মোটামুটি ভালো যাত্রী হবে।
লাভলী পরিবহনের চালকের সহকারী জুয়েল বলেন, গাড়ি ফাঁকা। অল্প কয়েকজন যাত্রী আছে।
তিনি বলেন, মানুষ এবার আট-নয়দিনের ছুটি পেয়েছে। এত লম্বা ছুটি শেষ না করে কেউ আসছে না। যার জন্য রাস্তায় যাত্রী নেই।
ওয়েলকাম পরিবহনের চালকের সহকারী তারিকুল বলেন, যাত্রী না থাকায় মালিক সব গাড়ির ট্রিপও দেয়নি। অল্প কিছু গাড়ি রাস্তায় নামিয়েছে।
তিনি বলেন, সকাল থেকে প্রথম ট্রিপ চলছে। গাড়িতে যাত্রীর অবস্থা দেখেন- সর্বোচ্চ ১০ জন যাত্রী আছে। এই যাত্রী নিয়ে খরচের টাকাও ওঠে না।
তারিকুল বলেন, খরচের টাকা না উঠলে রাস্তায় গাড়ি নামিয়ে লাভ কী? মালিককে কী দেবো, আর আমরা কী নেবো? একটা গাড়ি রাস্তায় নামলেই কত টাকা খরচ, এই যাত্রী নিয়ে সব খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকবে না।
কেআর/বিএ