রংপুরে মুরগির বাজারে স্বস্তি মিলছে না। ঈদের আগে থেকে ঊর্ধ্বমুখী মুরগির দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। সেইসঙ্গে অধিকাংশ সবজির দামও রয়েছে অপরিবর্তিত। তবে দাম কমেছে পোলট্রি মুরগির ডিমের। এছাড়া দাম বেড়েছে খোলা সয়াবিন তেলের।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতিকেজি বয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ২১০-২২০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩৪০-৩৫০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ৩৩০-৩৪০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩২০-৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০- থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মুরগির বাজারে ঈদের রেশ এখনো কাটেনি। ঈদের আগে থেকে দাম বাড়তে শুরু করেছে। সেই দাম এখনো রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এমনটা হচ্ছে। তবে সামনের সপ্তাহে দাম কমতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।
এদিকে টমেটো গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, ফুলকপি ৩৫-৪০ টাকা, বাঁধাকপির পিস ১৫-২০ টাকা, মুলা ৩০-৪০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৪০-৪৫ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা, দুধকুষি ৬০-৭০ টাকা, সজনে ১৫০-১৬০ টাকা, শসা ২০-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা, লেবুর হালি ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা, চিকন বেগুন গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, গোল বেগুন ৪০-৫০ টাকা, পটোল ৭০-৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৭০-৮০ টাকা, শিম ৩০-৩৫ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৮০-৯০ টাকা থেকে কমে ৭০-৮০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৪০-৫০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৫০-১৬০ টাকা, বাজারে আসা নতুন দেশি রসুনের দাম ১০০-১১০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ৮০-১০০ টাকা, আমদানি করা রসুনের দাম বেড়ে ২২০-২৪০ টাকা থেকে হয়েছে ২৪০-২৬০ টাকা।
খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু ১৬-১৮ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ২০-২৫ টাকা, শিল আলু ২৫-৩০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৩০-৪০ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৯০-২০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০০-১০৫ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪৫-৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি ৩৫-৩৬ টাকা থেকে কমে ৩২-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর ২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর ২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৭০-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
জিতু কবীর/এফএ/জেআইএম