যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে একটি ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা হস্তান্তর করেছে বলে নাম প্রকাশ না করা সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলি কিছু সংবাদমাধ্যম। বিবিসি গ্লোবাল নিউজ পডকাস্ট উত্তর আমেরিকার সংবাদদাতা অ্যান্থনি জার্কারের সঙ্গে কথা বলেছে। তিনি চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্টে ট্রাম্পের সঙ্গে টেনেসি সফরে গিয়েছিলেন।
এ সময় তিনি ট্রাম্পের যুদ্ধসংক্রান্ত লক্ষ্য সম্পর্কে যা জানতে পেরেছেন তার বর্ণনা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট সেসময় বলেছেন, তিনি অভিযানের মাত্রা ‘ধীরে ধীরে কমিয়ে আনছেন’।
তবে একই সঙ্গে তিনি হুমকি দিয়েছিলেন যে, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালির অবরোধ না তুলে নেয়, তাহলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস করে দেওয়া হবে’।
পরে তিনি ওই হামলা স্থগিত করেন এবং জানান যে ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। যদিও ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের খবর অস্বীকার করেছেন।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে এমন দেশের তালিকা বাড়ছে, যার মধ্যে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং মিশর রয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এরই মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনার আয়োজক হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্মতি থাকলে চলমান সংঘাতের একটি পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য অর্থপূর্ণ ও চূড়ান্ত আলোচনার আয়োজক হতে পাকিস্তান প্রস্তুত।
এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মঙ্গলবার জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার ফোনে কথা হয়েছে।
এছাড়া খবর পাওয়া যাচ্ছে যে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের বিরোধী হিসেবে পরিচিত ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ আলোচনায় যোগ দিতে পারেন। অনেক বিশ্লেষক এটিকে কৌশল পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন।
টিটিএন