দেশের প্রথম মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্স। সারাদেশে সব কয়টি শাখা মিলিয়ে তাদের ২৬টি হল রয়েছে। তরুণ প্রজন্ম ও রুচিশীল দর্শকদের প্রথম পছন্দের হল এটি। যার কারণে সিনেমা প্রযোজকরা তাদের সিনেমা এখানে মুক্তি দিতে চান। তবে হলটির বিরুদ্ধে বেশকিছু অভিযোগ করেছেন ঈদের দুই সিনেমা ‘রাক্ষস’ ও ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ প্রযোজক।
‘রাক্ষস’ প্রযোজক শাহরিন আক্তার সুমি বলেন, ‘স্টারের সীমান্ত স্কয়ার শাখায় আমাদের সিনেমাটি হাউসফুল যাচ্ছিল। কিন্তু তারা হুট করে আমাদের শো বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু ওই শাখায় না অন্যান্য শাখায় আমরা তাদের ওয়েব সাইটে দেখছি শো হাউসফুল। কিন্তু ওনারা আমাদেরকে হাউসফুল হিসেব দিচ্ছেন না। এছাড়া চট্টগ্রামের ফিনলে স্কয়ার শাখায় হলিউডের সিনেমা চালাচ্ছে আমাদের সিনেমা না চালিয়ে।’
‘প্রিন্স’ প্রযোজক শিরিন সুলতানা বলেন, ‘সীমান্ত স্কয়ার শাখায় বুধবারের (২৫ মার্চ) দুপুর ১টা ৫০ এর শোয়ের সময় হুট করে শো বাতিল করা হল। তারা বললো এসি নষ্ট তাই শো চালাতে পারবে না। এছাড়া তাদের ডিসিপি সমস্যার কারণে আমরা চারদিন সেখানে সিনেমা চালাতে পারেনি। এর জন্য যে আর্থিক ক্ষতি হলো এর দায় কে নেবে?’
অভিযোগগুলোর ব্যাপারে স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সিনেমার কয়টি শো হবে, হবে না- তা নির্ধারণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তবে দর্শক চাহিদা থাকলে শো কমিয়ে দেওয়া হয় না, বরং বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আপনারা অতীতে দেখেছেন চাহিদার কারণে আমরা হলিউডের সিনেমা বাদ দিয়ে বাংলা সিনেমা চালিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এসি নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপর তো আসলে কারও হাত নেই। তবে এটি যত দ্রুত সম্ভব আমরা ঠিক করার চেষ্টা করছি। আর হলিউডের সিনেমা তো আমরা আগেও চালিয়েছি। নতুন না ব্যাপারটা।’
এমআই/এমএমএফ