খেলাধুলা

অবশেষে যৌন হয়রানির মামলা থেকে মুক্তি পেলেন বাবর

বাবর আজমের বিরুদ্ধে আলোচিত এক মামলা বাতিলের লিখিত আদেশ দিয়েছেন লাহোরের উচ্চ আদালত। গ্রহণ করা হয়েছে বাবরের করা রিটও। যা কিনা পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়কের জন্য অনেকবড় পরিত্রাণ বলা চলে।

আট পাতার লিখিত রায়ে আদালত বাবর আজামের আবেদন মঞ্জুর করে পূর্বের সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ দিয়েছেন, যা জাস্টিস অফ দ্য পিস দ্বারা জারি করা হয়েছিল এবং এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল। অভিযোগটি করেছিলেনব হামিজা মোখতার নামের এক নারী।

অভিযোগকারী সেই নারী দাবি করেছিলেন, বাবর আজম তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে আবার সেটি প্রত্যাহার করে নেন। পাশাপাশি আনা হয় জবরদস্তি এবং আর্থিক শোষণের অভিযোগও।

মামলাটি তদারকি করেন আসজাদ জাভেদ ঘারাল। তিনি উভয় পক্ষের উপস্থাপিত প্রমাণ ও যুক্তি পর্যবেক্ষণ করেছেন। রায়ে বলা হয়েছে, অভিযোগকারীর দাবি করা বাবর আজমের সঙ্গে আট বছরের সম্পর্ক এবং অভিযোগ দায়েরে দীর্ঘ বিলম্ব অভিযোগগুলির বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করেছে।

রায়ে আদালত এটি স্পষ্ট করেছে যে, অভিযোগের সমর্থনে পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই এবং শুধুমাত্র বিয়ে সম্পর্কিত অপ্রাপ্ত প্রতিশ্রুতি কোনো আইনগত পদক্ষেপ বিলম্ব করার জন্য যথেষ্ট নয়।

এ ছাড়া আদালত বলেন, ‘জাস্টিস অব দ্য পিস’ যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা আইনি দৃষ্টিতে ত্রুটিপূর্ণ।

এছাড়া রায় উল্লেখ করেছে যে, জাস্টিস অফ দ্য পিস যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এফআইআর দায়েরের নির্দেশ জারি করেছিলেন, যা আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে ভুল ছিল। ফলে, লাহোর হাইকোর্ট বাবর আজামের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ বাতিল করেছে। মামলার সময় ক্রিকেটারের পক্ষে বারিস্টার হারিস আজমাত উপস্থিত ছিলেন

সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ায় বাবর এখন কোনো আইনি অনিশ্চয়তা ছাড়াই পুরোপুরি ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে পারবেন।

আইএন