জাতীয়

হরমুজ প্রণালি দিয়ে আমাদের সারের জাহাজও ছাড়া পাবে, আশা কৃষিমন্ত্রীর

সার আমদানি ও বন্ধ কারখানা চালুর বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কাতার ও সৌদি আরব থেকে সার আমদানির আলোচনা চলছে এবং তাতে অগ্রগতি হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সারের জাহাজ আসার সুযোগ পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার করা প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংসদে রুমিন ফারহানা বলেন, বেসরকারিভাবে নন-ইউরিয়া সার আমদানি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরপর সারের যোগানটা কোথা থেকে আসবে, সে ব্যাপারে কৃষিমন্ত্রী যদি কিছু বলতেন। এ ছাড়া আমার নির্বাচনি এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে যে জিয়া ফারটিলাইজার নামে ফ্যাক্টরি আছে, সেটি বহুদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। সেটি চালুর ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না।

জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এ মুহূর্ত পর্যন্ত আমাদের কাছে যে ইউরিয়া সার মজুত আছে, তা দিয়ে জুন-জুলাই পর্যন্ত চাহিদা মেটানো যাবে। এখানে সংসদ সদস্য জানতে চেয়েছেন যে, এরপর আমরা সার কোথা থেকে পাবো? এরই মধ্যে আমাদের আলোচনা চলছে। ইউরিয়া সার আমরা আনতাম কাতার ও সৌদি আরব থেকে। প্রধানমন্ত্রী একজন উপদেষ্টাকে এরই মধ্যে কাতারে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে গতকাল রাতেও আমার কথা হয়েছে। যুদ্ধের মধ্যেও বিতর্কিত যে জায়গাটুকু (হরমুজ প্রণালি) আছে; সেখান থেকে এরই মধ্যে আমাদের তেলের জাহাজ তারা ছেড়ে দিয়েছে। আশা করছি, সারের জাহাজও ছেড়ে দেওয়া হবে। এটা হলে খুব বেশি সমস্যা হবে না।’

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মাত্র একমাস আগে দায়িত্ব নিয়েছি। এর মধ্যে সারটা নিয়ে আমি ঘাঁটাঘাটি করেছি। আমি ব্যক্তি জীবনেও একজন কৃষক। ঘাঁটতে ঘাঁটতে দেখলাম, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সব সার আমদানিতে প্রাইভেট সেক্টরকে বেশ উৎসাহিত করা হয়েছে। এর আগে কিন্তু এটা ছিল না। তখন জি টু জি (সরকার থেকে সরকার) পদ্ধতি ছিল। সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো সার ইমপোর্ট করতো। আগামীতে সেটি করার ব্যাপারে আলোচনা চলছে। সেটি করা গেলে কোনো সংকট হবে না।’

এএএইচ/এমএমকে