২০২১ সাল থেকে যত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে, সবগুলোতেই জিতেছে আর্জেন্টিনা। এরপরও বর্তমান আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে আসন্ন ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে সন্দেহ রয়েছে অনেকের মনেই। যার মূল কারণ দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসির বয়স। যা কিনা বিশ্বকাপের আগে ৩৯ এর কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।
মেসিকে ছাড়াই আর্জেন্টিনা নিজেদের শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের এখনও শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে দেখা যায়নি। সবশেষ চারটি প্রীতি ম্যাচে তারা মাঠে নেমেছে পুয়ের্তো রিকো, অ্যাঙ্গোলা, মৌরিতানিয়া ও জাম্বিয়ার বিপক্ষে। দুই ম্যাচেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও কিছু ম্যাচে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে অনেকের দৃষ্টিতেই ফেবারিটের তালিকা থেকে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে আর্জেন্টিনা।
ইএসপিএনের ফুটবলবিষক লেখক রায়ান ও’হ্যানলনের মতো বিশ্লেষকরাও এই মুহূর্তে আর্জেন্টিনাকে পুরোপুরি ভরসা করতে পারছেন না। ৪৮ দলের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর তিনি একটি র্যাংকিং করেন, যেখানে আর্জেন্টিনাকে রেখেছেন সপ্তম স্থানে। তার প্রশ্ন, ‘এই দলে এখনও মেসির প্রভাব কতটা গুরুত্বপূর্ণ?’
ও’হ্যানলনের মতে, মেসি এখনও আর্জেন্টিনার সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যদিও তাকে ছাড়া দলটি জিততে সক্ষম। তবে মেসি থাকলেও তিনি আর্জেন্টিনার চেয়ে ছয়টি দলকে এগিয়ে রাখছেন— ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডস।
বিশেষ করে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল পর্তুগালকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিন, ‘রোনালদোকে মূল একাদশের বদলে বদলি হিসেবে ব্যবহার করা কি ভালো হবে? তবুও তার তালিকায় মেসির আর্জেন্টিনার চেয়ে এগিয়েই আছে পর্তুগাল। একইভাবে ব্রাজিলও এগিয়ে, যদিও বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা আর্জেন্টিনার চেয়ে পিছিয়েই ছিল।’
সবমিলিয়ে, অর্জনের দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও বর্তমান আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে সংশয় এখনো কাটেনি। বিশেষ করে মেসির ভূমিকা ও শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায়।
আইএন