আন্তর্জাতিক

ইরানের ভূমিতে ধ্বংস হয়েছে ১০ মার্কিন এয়ারক্রাফট

ইরানের আকাশসীমায় গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল ভূপাতিত করা হয়। যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হবার আগমুহূর্তে ইজেক্ট করে প্যারাশুটে নেমে আসে দুই মার্কিন পাইলট। তাদেরকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সে অভিযানে ১০টি এয়ারক্রাফট ধ্বংস করে ইরান।

গত শতাব্দীর শীতল যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন বিমান বাহিনীর এমন যুদ্ধবিমান হারানোর ঘটনা এই প্রথম ঘটেছে। বিশেষ করে ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংসের ঘটনা ইতিহাসে এই প্রথম।

এফ-১৫ এর দুই পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন বাহিনী দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তাদের উদ্ধার কার্যক্রমে ব্যবহৃত এইচসি-১৩০জে কমব্যাট কিং II, এইচএইচ-৬০ডব্লিও এবং ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ইরানের আকাশে প্রবেশ করে। এদের সহায়তায় আকাশে ছিল এ-১০ থান্ডারবোল্ড II যুদ্ধবিমান এবং এমকিও-৯ রিপার ড্রোন এবং ইসরায়েলি হারমিস-৯০০ ড্রোন।

অতিরিক্ত ক্ষয়ক্ষতি ঘটে যখন দুটি এইচসি-১৩০জে কমব্যাট কিং(II) অনুসন্ধান ও উদ্ধার বিমান এবং দুটি এমএইচ-৬ লিটল বার্ড হেলিকপ্টার ইরানে অবতরণ করার পর পুনরায় উড্ডয়ন করতে ব্যর্থ হয়। মার্কিন সূত্র অনুযায়ী, এগুলো শত্রুর হাতে পড়া ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই মাটিতে ধ্বংস করে। তবে এ বিষয়ে জোরালো ধারণা রয়েছে যে এগুলো ইরানের হামলায় ধ্বংস হয়েছিল এবং মার্কিন পক্ষের দাবি জনসংযোগ কৌশলের অংশ হতে পারে।

নিম্ন উচ্চতায় উড্ডয়ন করার সময় দুটি ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার, দুটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ড এবং একটি ইসরায়েলি হারমিস-৯০০ নজরদারি ড্রোন ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত হয়। দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ভিডিও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।

মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০টি মার্কিন বিমান এবং একটি ইসরায়েলি বিমান ইরানের আকাশসীমায় অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সূত্র: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

কেএম