নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার শীর্ষ সন্ত্রাসী আবদুর রশিদ মিথুন ও তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি কালো জিপ ও মাদক বিক্রির ৯১ হাজার ৭৮৫ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জে র্যাব-১১ এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নরেশ চাকমা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আব্দুর রশিদ ওরফে মিথুন (৪১) এবং তার চার সহযোগী মামুন (২৮), বাদশা (৩০) শামীম (২২) ও আলমগীর (৩০)।র্যাব জানায়, সোমবার রাত ১০টায় ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পূর্ব পাশে সুমাইয়া বিরিয়ানি হাউজের সামনে অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। ওই সময় একটি কালো রঙের পাজেরো জিপে (ঢাকা-মেট্রো-ঘ-১১-৬৮৪২) অবস্থানরত তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুর রশিদ ওরফে মিথুন ও তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। মিথুনের স্বীকারোক্তিমতে, ফতুল্লা থানাধীন নয়ামাটি কুতুবপুর মারকাস মসজিদ রোডে তার বড় বোন ইতালি প্রবাসী রোকেয়া বেগমের নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ব্যবহৃত কক্ষে তল্লাশি করা হয়। এ সময় বাথরুমের ফলস ছাদ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।র্যাব আরো জানায়, মিথুন এলাকার চিহ্নিত তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং কুখ্যাত সন্ত্রাসী নিহত রহমতের অন্যতম সহযোগী। তিনি রহমত বাহিনীর সদস্যদের গডফাদার এবং ইসরাফিল বাহিনীর প্রধান হয়ে এলাকায় নিজস্ব একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।র্যাব-১১ এর গোয়েন্দা দল তাদের গতিবিধি নজরদারিতে রেখে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্যসহ অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করে। আসামিদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি পৃথক মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানায় র্যাব। মো: শাহাদাত হোসেন/এএম/এমএস