মিয়ানমারের মংডু থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে পণ্য নিয়ে এসে আটকা পড়েছেন ১৩টি ট্রলারের ৪৪ জন মাঝি। তারা সকলে মংডু টাউনশিপের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। গত ২৫ তারিখের আগে মিয়ানমারের মংডু থেকে পণ্য নিয়ে এসে আর ফিরতে পারেননি। তারা সবাই রোহিঙ্গা।
বর্তমানে এসব মাঝি মাল্লারা বন্দরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। সেই সঙ্গে স্বজনদের জন্য উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় কাটছে তাদের দিন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কথা হয় আটকা পড়া মংডু হারিপাড়ার ট্রলার মাঝি গোরা মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, মোবাইলে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু গত তিনদিন ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জানেন না স্ত্রী সন্তানরা কেমন আছে।
আরেক ট্রলারের শ্রমিক মংডু ফয়েজি পাড়ার আইয়ুব খান জানান, টেকনাফ বন্দরে আটকে আছেন ১৮ দিন হলো। মা-বাবাসহ পরিবারের স্বজনদের জন্য মন টানলেও যেতে পারছেন না সেখানে। মাঝি মাল্লারা জানালেন, তারা সবাই মংডুতে ফিরতে চান। একবার যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু কোস্টগার্ডের বাধায় যেতে পারেননি। এই অবস্থায় থাকা, খাওয়াসহ নানা সমস্যা হচ্ছে বলে জানালেন তারা।
এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানের জন্য পণ্য নিয়ে এসেছিলেন তারা প্রথমে কিছু সহযোগিতা করলেও এখন কোনো খোঁজ খবর নিচ্ছেন না। টেকনাফ শুল্ক কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন জানান, মাঝি মাল্লাদের দুরাবস্থা দেখে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু শুকনো খাবার ও কাপড় বিতরণ করেছিলেন।
এফএ/এমএস