কক্সবাজারের টেকনাফে ‘গোলাগুলিতে’ আবদুর রহমান (২৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি মাদক কারবারী দু’গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে মারা গেছেন ওই যুবক। নিহত যুবকও মাদক ব্যবসায়ী।
সোমবার ভোরে টেকনাফের হোয়াইক্যং সাতঘরিয়া পাড়া শিয়াল্যাঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুর রহমান হোয়াইক্যং পূর্ব মহেষখালীয়া পাড়ার শাহ আলমের ছেলে। তবে তিনি বিগত ৯ দিন যাবত নিখোঁজ ছিলেন বলে দাবি করেছে পরিবার।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এসআই দীপংকর রায় জানান, গভীর রাতে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী মহেশখালীয়া পাড়া এলাকায় মাদক কারবারী দু’গ্রুপের মধ্যে গুলাগুলির সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পৌঁছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারীরা পালিয়ে যায়। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ৩ হাজার ইয়াবা, একটি দেশীয় এলজি, ৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৯ রাউন্ড গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, এ সময় আবদুর রহমানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে কক্সবাজারে রেফার করেন। পরে কক্সবাজার নেয়ার পথেই তিনি মারা যান।
তিনি দাবি করেন, নিহত রহমান মাদক কারবারী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ গুলিবিদ্ধ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে বলে জানান টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।
অপরদিকে নিহত রহমানের স্বজনদের দাবি, তারা ৯ ওয়ার্ড থেকে গত কয়েকমাস আগে ৩নং ওয়ার্ডের দৈংগ্যাকাটা এসে বসতি শুরু করেন। গত ৯ দিন আগে আব্দুর রহমান হ্নীলা থেকে নিখোঁজ হয়। তখন থেকে তাকে নানা জায়গায় খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ ডায়রি করতে গেলে তাও নেইনি থানা পুলিশ। বিষয়টি ৩নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ নবী হোছনকে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু ১০ দিনের মাথায় গোলাগুলিতে তার মৃত্যু হলো।
সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এমকেএইচ