টঙ্গীতে পুলিশের সোর্স কুতুব উদ্দিন (৩২) খুনের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে টঙ্গী থানায় মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। নিহত কুতুব ঢাকার নবাবগঞ্জের বাঘাদুয়ার এলাকার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। টঙ্গীর আমতলী এলাকায় আব্দুল মজিদ মিয়ার বাসায় তারা সপরিবারে বসবাস করতেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা আমতলী এলাকার কুতুবের প্রতিবেশী এবং মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। কুতুব আসামি সুজনের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা পেত। ওই টাকা চাইলে সুজন তা না দিয়ে বিভিন্ন সময় মেরে ফেলার হুমকি দিত বলে কুতুব তার বাবাকে জানিয়েছিল। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন ও আসামি জামাল, কসাই শহিদের মোবাইল থেকে কুতুবকে ফোন করে সুজনের কাছে পাওনা নিয়ে যেতে বলে। পরে কুতুব তাদের আমতলীর বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এরপর আর বাসায় ফিরেনি। মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে কুতুবকে টিঅ্যান্ডটি মোড় বাজার এলাকায় একটি দর্জির দোকানে ফেলে ওই আসামিরা কুপিয়ে খুন করে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুতুবের বাবা বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে পুলিশ আটক করতে পারেনি। টঙ্গী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ তালুকদার বলেন, নিহত কুতুব টঙ্গী থানা পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। এর আগেও তাকে একবার দুর্বৃত্তরা কুপিয়েছিল। আমিনুল ইসলাম/এসএস/পিআর