মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী ভাষা সৈনিক আ. জব্বারের নাতি এবং গাজীপুর বারের শিক্ষানবিশ আইনজীবী ফিরোজ্জামান ওরফে সোহেলকে (২৮) হত্যার দায়ে একই পরিবারের ৪ জনসহ পাঁচজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুর অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. ফজলে এলাহী ভূইয়া এই রায় প্রদান করেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- গাজীপুরের দক্ষিণ ছায়াবিথি এলাকার আ. রউফের স্ত্রী আমেনা বেগম, তার ছেলে মো. সজল ও বাপ্পী, একই এলাকার কফিল উদ্দিনের ছেলে মো. বাদল ও তিথি আক্তার। আসামিদের মধ্যে আমেনা বেগম, সজল ও বাপ্পী পলাতক।গাজীপুর আদালতের এপিপি মো. আতাউর রহমান জানান, ২০০৮ সালের ৯ মার্চ শিক্ষানবিশ আইনজীবী ফিরোজ্জামান ওরফে সোহেলকে দক্ষিণ ছায়াবিথী এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে দা, চাপাটি, চাকু, রামদা ও বঁটি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে প্রথমে গাজীপুর সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেয়া হলে পর দিন ১০ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. সোহরাব উদ্দিন ভান্ডারী বাদী হয়ে ৮ জনের নামে এবং ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। জয়দেবপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদুল ইসলাম মামলার তদন্ত শেষে ওই বছরের ১০ জুলাই আদালতে ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার ৫ জনকে ফাঁসি ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি মো আতাউর রহমান। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জেবুন্নেছা মীনা।আমিনুল ইসলাম/এসএস/আরআইপি