জাতীয়

ঢাকার রাজপথ আওয়ামী লীগের দখলে

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সমাবেশ প্রতিহত করতে সোমবার সকাল থেকেই রাজধানীর সড়কগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আওয়ামী লীগ। একইসাথে গতবছর ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের প্রথম বার্ষিকী ‘সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষা’ দিবস হিসাবে উদযাপন করছে আওয়ামী লীগ।  পুলিশের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা সোমবার সকাল থেকে আগারগাঁও, কারওয়ানবাজার, বাংলামোটর, কাকরাইল, প্রেসক্লাব, পল্টন মোড়, হাই কোর্ট এলাকা, পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক মোড়, মহাখালী ও বঙ্গবন্ধু এভিনিউসহ বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে ছোট ছোট দলে জড়ো হতে থাকেন। দফায় দফায় তাদের মিছিল করতেও দেখা যায়। এছাড়া স্পটগুলোতে নেতাকর্মীদের রাস্তার পাশে চেয়ার পেতে বসে থাকতে দেখা যায়।সকালে কাকরাইলে ঢাকা মহানগর যুবলীগের (দক্ষিণ) সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটের নেতৃত্বে বড় শোভাযাত্রা বের হয়। কয়েকশ কর্মীকে নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগের সামনে অবস্থান নেন। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে এই কর্মসূচির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক রুহুল আমীন গাজী মারফত আমরা জানতে পারলাম, যে কোনো মূল্যে বিএনপি সোমবার সমাবেশ করবে। কিন্তু বাস্তবে তাদের কোনো নেতাকর্মীকে রাজপথে দেখা যায়নি। তারা আইন অমান্য করে কীভাবে সমাবেশ করবে তা দেখার জন্যই আমরা অবস্থান নিয়েছি। আমরা কোনো সভা-সমাবেশ করছি না।মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন মায়া বলেন, যেহেতু রাজপথের কোথাও তাদের দেখা যাচ্ছে না, তাহলে আমার মনে হয় তারা আড়াইটার দিকে হেলিকপ্টার যোগে আকাশ থেকে সোহরাওয়ার্দীতে নেমে সমাবেশ করে আবার হেলিকপ্টারেই চলে যাবে। এছাড়া আর তো কোন উপায় দেখছি না।এ বিষয়ে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলামের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ কমিশনার আবদুল বাতেন জানান, রাজনৈতিক মিছিল-সমাবেশের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।