লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পানপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে ড্রেস (নির্দিষ্ট পোশাক) পরিধান না করে আসায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. সোলেমান ক্ষিপ্ত হয়ে বেত্রাঘাতের পর শ্রেণিকক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেন।এ ঘটনার পর মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন জরুরি বৈঠক করেন। এসময় অভিযুক্ত শিক্ষক তার ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে তিনি এ ধরনের কাজ না করার অঙ্গীকার করেন।আহতরা হলো- দশম শ্রেণির ছাত্র ফাহাদ হোসেন, ইমন হোসেন, আরমান হোসেন, মিজান হোসেন, সপ্তম শ্রেণির তুহিন হোসেন, এমরান হোসেন ও সামাদসহ ২০ জন। তাদের পিঠ ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন।অভিভাবক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষক সোলেমান শ্রেণিকক্ষে যান। এসময় তিনি সপ্তম ও দশম শ্রেণির ২০ শিক্ষার্থীকে এলোপাতাড়ি বেতাঘাত করেন। একপর্যায়ে তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়। পরে তারা পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ছাত্র ও অভিভাবকরা। এ ঘটনায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী জরুরি বৈঠক করেন।জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. সোলেমান বলেন, বারবার বলা সত্ত্বেও স্কুল ড্রেস না পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসায় ভয় দেখানোর জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের বেতাঘাত করেছি। অসর্তকতাবশত আঘাতগুলো করা হয়। বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে।রামগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ভূইয়া বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক তার ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে তিনি এ ধরনের কাজ না করার অঙ্গীকার করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বৈঠকে বিষয়টি সমাধান হয়েছে।কাজল কায়েস/এআরএ/এবিএস