দেশজুড়ে

চান্দিনায় ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা সদরের চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।    মঙ্গলবার সকালে কলেজের ছাত্রীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাও করে। এ সময় উপজেলা পরিষদ চত্বর সহ কলেজ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।স্মারক লিপি প্রদান শেষে দুপুর পর্যন্ত ইউএনও কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ছাত্রীরা। পরে পুলিশ, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা তাদের কলেজে ফিরিয়ে নেয়। কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন ছাত্রীরা। এক পর্যায়ে ছাত্রীরা কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।খবর পেয়ে চান্দিনা উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার মেয়র, চান্দিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে প্রশাসন ও কলেজ শিক্ষকরা দফায় দফায় বৈঠক করেন।স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২ জুলাই অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে জানতে তারা জানতে পারেন চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজটি মাননীন প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরে জাতীয়করণের চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পায়। ১৮ জুলাই জানতে তারা জেনেছেন চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ পরিবর্তন করে চান্দিনা থানা সদর হতে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে দোল্লাই নবাবপুর কলেজের নাম আসে। স্থানীয় এম.পি মহোদয় কেন বা কোন কারণে প্রায় তিন হাজার ছাত্রীদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন।সুষ্ঠু তদন্ত করে চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণের জন্য অনুরোধ জানান, বিক্ষোভকারী ছাত্রীরা।১৯৯৭সালে সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ এম.পি চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে কলেজটিতে অনার্স শাখা চালু হয়। বর্তমানে কলেজটিতে ৭টি বিষয়ে অনার্স এর শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। কলেজটিতে সর্বমোট ৫৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। মো. কামাল উদ্দিন/এএম/এবিএস