টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর পৌরসভার দুই গ্রামকে বাল্যবিবাহমুক্ত ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানেই দুটি বাল্যবিবাহ সংঘটিত হয়েছে।শুক্রবার রাতে পৌরসভার ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডে দুই পরিবারের মধ্যে এ বাল্যবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে এনজিও সংস্থা ‘সেন্টার ফর ম্যাশ এডুকেশন ইন সায়েন্স’ (সিএমইএস) এর জেন্ডার কর্মসূচির উদ্যোগে ওই গ্রাম দুটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাল্যবিবাহমুক্ত ঘোষণা করা হয়। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌরসভার বগাপ্রতিমা হলদে চালা মৌলিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে এনজিও সংস্থা সেন্টার ফর ম্যাশ এডুকেশন ইন সায়েন্সের জেন্ডার কর্মসূচির উদ্যোগে পৌরসভার ৪ ও বগাপ্রতিমা গ্রামের ৫ নং ওয়ার্ডের গড়গোবিন্দপুর গ্রামকে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণা করা হয়। ওই ঘোষণার পরের দিন শুক্রবার রাতে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের বগাপ্রতিমা গ্রামের আবদুল মজিদের মেয়ে সূর্যতরুণ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী সেলিনা আক্তারের বিয়ে সংগঠিত হয়। একই দিনে ৫ নং ওয়ার্ডের গরগোবিন্দপুর গ্রামের হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সখীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী হেলেনা আক্তারের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বাল্যবিবাহমুক্ত ঘোষণার পর গ্রামে বাল্যবিবাহ দুটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। সূর্যতরুণ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবু নাসের ফারুক ও সখীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কাইয়ুম হোসাইন ওই দুই ছাত্রীর বিয়ে হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারা জানান, শুক্রবার বিদ্যালয় ছুটি থাকায় অভিভাবকরা গোপনে ছাত্রীদের বিয়ে দিয়ে দেন। এ নিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের পরবর্তী সভায় পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ ব্যাপারে সিএমইএসের সখীপুর ইউনিট অর্গানাইজার আবেদ আলী বলেন, বাল্যবিবাহের বিষয়টি আমাদের জানা নেই।আরিফ উর রহমান টগর/এএম/আরআইপি