কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও ছাত্রলীগ নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেজারার প্রফেসর কুন্ডু গোপী দাসকে প্রধান করে এ তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে তল্লাশি করেছে পুলিশসহ বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, শোকাবহ আগস্টের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি আলিফ ও ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস সবুজ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৬ জন আহত হয়।ইলিয়াস সবুজ গ্রুপের গুলিবিদ্ধ খালেদ সাইফুল্লাহকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ছাত্র খালেদ সাইফুল্লাহ কবি নজরুল হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সস্পাদক এবং মার্কেটিং ৪র্থ বর্ষের ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। বাকী আহত ৫ জনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুজিবুর রহমান জানান, দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ একজন নিহতের ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে প্রশাসনিক কার্যক্রম চলবে। এছাড়া ছাত্রদের ১১টা ও ছাত্রীদের ২টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কামাল উদ্দিন/এসএস/আরআইপি