আসছে ধারাবাহিক নাটক ‘উজান গাঙের নাইয়া’র দ্বিতীয় সিরিজ। প্রথম সিরিজের ব্যাপক সাফল্যের পর ধারাবাহিকটির দ্বিতীয় সিরিজে উঠে এসেছে উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে পরিবারগুলোর জীবন সংগ্রামের গল্প। দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও ভালবাসার এই গল্পের মধ্যেই মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে নাটকটিতে। নতুন এই ধারাবাহিকে সুলতানার চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা চম্পা। সুলতানা খুব ভাল মানুষ হলেও তার স্বামী খুবই লোভী। এক সময় স্বামীর আচরণের প্রতিবাদ করে সুলতানা, যার ফলস্বরূপ স্বামী তার ভুল বুঝতে পারে এবং নিজেকে সংশোধন করে। চম্পা মনে করেন, একজন শিল্পীর সামাজিক দায়বদ্ধতা অনেক। আর ‘উজান গাঙের নাইয়া’য় কাজ করে সেই দায়বদ্ধতা পালনের সুযোগ পেয়েছেন বলে মনে করেন এই গুণী অভিনেত্রী। তিনি বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা মানুষকে সঠিক পথটি দেখাতে পারি। আর এক্ষেত্রে একজন শিল্পীর ভাবমূর্তি ও গ্রহণযোগ্যতাও বেশ বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সাধারণ একজন মানুষের মুখ থেকে শোনার চেয়ে একজন প্রিয় শিল্পীর কাছ থেকে কিছু শুনলে মানুষ সেটি আরও বেশি বিশ্বাস করে। এক আগে আরও কয়েকটি বক্তব্যধর্মী নাটকে কাজ করলেও চিত্রনায়িকা চম্পা কাজ করেন খুব বেছে বেছে। বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন প্রযোজিত ‘উজান গাঙের নাইয়া’র বক্তব্যগুলোই সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছে চিত্রনায়িকা চম্পাকে। তিনি বলেন, বিবিসির সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ সব সময়ই ছিল। আর ‘উজান গাঙের নাইয়া’য় কাজ করতে গিয়ে বিবিসির গোছালো কাজের ধরন খুব ভাল লেগেছে। এ ধারাবাহিকটিতে অল্প বয়সে বিয়ে ও মা হওয়ার নেতিবাচক দিক এবং সেই সঙ্গে একজন নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রয়োজনীয়তার দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে। আমার নিজের বিশ্বাসের সঙ্গে এ নাটকের বক্তব্যের মিল খুঁজে পেয়েছি আমি। চম্পা আরও বলেন, এখানে শুধু কাজই নয়, শিল্পী থেকে শুরু করে অন্যান্য কর্মীর প্রতি যে দায়িত্বশীলতা সেটাও ছিল লক্ষণীয়। বিবিসির সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে গৌতম ঘোষ, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, সন্দীপ রায়ের মতো পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করার কথা মনে পড়ে গেছে আমার।