দেশজুড়ে

ভারত বাংলাদেশের মুক্তির জন্য সাহায্য করেছে, শোষণের জন্য নয়

হাইকোর্ট অব ইন্ডিয়ার ত্রিপুরার বিচারপতি উৎপলেন্দু বিকাশ সাহা বলেছেন, দুই জনগোষ্ঠি মিলে দুই দেশের উন্নতি করতে হবে। ভারত বাংলাদেশর যে মৈত্রি তা ঠিক রাখতে হবে। ভারত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সাহায্য করেছে তা মুক্তির জন্য, শোষণের জন্য নয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র চৌমুহনীতে শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের সমাধিক্ষেত্র পরিদর্শনে এসে জাগো নিউজকে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।তিনি আরো বলেন, ১৯৪৮ সালে নোয়াখালীর রামগঞ্জে রায়ট হয়েছিলো। তখন গান্ধীজি এসেছিলেন শান্তির বার্তা নিয়ে। তিনি তখনও একই বার্তা দিয়েছেন, মুসলমান-হিন্দু একসঙ্গে থাকতে হবে। তিনি বলেন, শেখ মুজিবর রহমানসহ এ দেশের সব মানুষ দেশ স্বাধীন করতে চেয়েছিলো। ভারতে এতে সাহায্য করেছে। অবশেষে স্বাধীন বাংলাদেশ হলো। বাংলাদেশ হওয়ার পর কোন সরকার এলো আর কে গেলো এটি নিয়ে আমরা ভাবি না। কিন্তুু একটি কাজ করতে হবে, সব রকমের মানুষ মিলে একসঙ্গে থাকতে হবে। এটি আপনার দেশ। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান যাই হোন না কেনো দেশ ছেড়ে যাবেন কোথায়। আরেকটি দেশে গেলে তো সেটি হবে পরের দেশে। যেভাবে আপনারা মসজিদ রক্ষা করেন তেমনি মন্দিরকেও রক্ষা করতে হবে। মুসলমানদের রক্ষা করার পাশাপাশি হিন্দুদের  ও রক্ষা করতে হবে। আর মুসলমাদের হলো হিন্দু বা সংখ্যালুঘুদের রক্ষা করা। কারণ এ দেশ থেকে হিন্দুরা চলে গেলে আপনি কাকে হিন্দু বলবেন। শক্রতার জন্য হলেও তো হিন্দুদের রাখতে হবে। তিনি তার শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, এ দেশে থাকা অবস্থায় ছোট বেলায় ঈদের সময় হুজুররা তাদের জিলাপি দিতেন। আবার তারা রাম ঠাকুর ও রথ যাত্রায়ও আসতেন। তখন কিন্তুু আমরা হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে পার্থক্য বুঝিনি। বর্তমানে যারা হিন্দু-মুসলাদের মধ্যে এ ভেদাভেদ তৈরি করছে তারা আসলে স্বার্থের জন্য করছে। মিজানুর রহমান/এফএ/পিআর