এক বছর পার হলেও র্যাবের হাতে আটক কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহ-সভাপতি শেখ সাজ্জাদ হোসেন সবুজের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। সবুজ জীবিত নাকি মৃত এ তথ্যও পাচ্ছে না পরিবার। সবুজ ফিরে আসবে এই প্রতীক্ষায় দিন কাটছে পরিবারের স্বজনদের। রোববার দুপুর ১২ টায় শহরের থানাপাড়াস্থ নিজ বাড়িতে র্যাবের হাতে আটক নিখোঁজ সবুজকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তার পরিবার। এ সময় সবুজের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জিনিয়া, সবুজের বাবা কাইজার হোসেন ছোটন, সবুজের ছোট ভাই আরিফুল ইসলাম, সবুজের দুই ছেলে-মেয়ে শেখ সাহেদ হোসেন প্রেম ও শেখ সুমাইয়া ফেরদৌস অপ্সরী উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে সবুজকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, র্যাব ও পুলিশ প্রধানের প্রতি সবুজের পরিবারের পক্ষ থেকে আকুতি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজ সবুজের বাবা কাইজার হোসেন ছোটন ও সবুজের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জিনিয়া বলেন, সবুজের সন্ধান পেতে আমরা এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে যায়নি। সাদা পোশাকে র্যাব পরিচয়ে গত বছরের ২০ আগস্ট রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর থানার ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট থেকে শেখ সাজ্জাদ হোসেন সবুজ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান লাবুকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার ৬ দিন পর লাবু `র্যাব` হেফাজত থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরে আসে। লাবু ফিরলেও সবুজের সন্ধান আজও মেলেনি। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে সবুজের স্ত্রী জিনিয়া বলেন, পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সবুজকে আটক বা গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করছে। তাহলে আপনারাই বলুন কিভাবে এক জন জলজ্যান্ত মানুষ রাতারাতি গায়েব হয়ে গেল? জিনিয়া বলেন, আমি আমার স্বামী কোথায় তার সন্ধান চাই? তাকে ফিরে পেতে চাই। জিনিয়া বলেন, আমি আবার বলছি একটি পরিকল্পিত সাজানো নাটক সৃষ্টি করে আমার স্বামীকে আটক রাখা হয়েছে। নিখোঁজ সবুজের স্ত্রী জিনিয়া সেদিনের ওই ঘটনার আবারো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। আল-মামুন সাগর/এসএস/পিআর