যশোরে ৮৫ সদস্যের আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেট শনাক্ত করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অন্তত ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর সিন্ডিকেটের তথ্যের ভিত্তিতে যশোর, মাগুরা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন স্থানে অভিযানে চালিয়ে ২৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোরের পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমান এসব তথ্য জানান। এ ঘটনায় ৩৫ জনকে বিভিন্ন সময় আটক করা হয়েছিল। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ১৫ দিনে (৫-২০ আগস্টের মধ্যে) যশোর থেকে চুরি হওয়া ২৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ আগস্ট সাতক্ষীরা সদরের বাবুলিয়া ভবানীপুর থেকে একটি ও যশোর শহরের চিত্রামোড় থেকে একটি, শার্শার বাগআঁচড়া ফুড গোডাউনের পেছন থেকে একটি, শার্শার বেরীনারায়ণপুর মধ্যপাড়া থেকে দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।৯ আগস্ট সাতক্ষীরা সদরের ধলবাড়িয়া থেকে একটি ও যশোর সদরের তপসীডাঙ্গা থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। ১০ আগস্ট যশোর শহরের খড়কি শাহ আবদুল করিম সড়ক থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ১৬ আগস্ট মাগুরা সদর উপজেলার ভায়না দক্ষিণপাড়া থেকে ১৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। ২০ আগস্ট কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে থেকে একটি ও ২০ আগস্ট যশোর শহরের স্টেডিয়াম রোড থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।এসপি আনিসুর রহমান জানান, আন্তঃজেলা চোর সিন্ডিকেট শনাক্ত হয়েছে। এ সিন্ডিকেটের ৮৫ জনের মধ্যে বর্তমানে ১২ জন আটক আছে। বিভিন্ন সময়ে ৩৫ জন আটক হয়েছিল। আর দুজন নিহত হয়েছে। জেলায় চোর সিন্ডিকেটের তৎপরতায় মোটরসাইকেল চুরি বেড়ে গিয়েছিল। পুলিশ মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেট শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। চোর সিন্ডিকেট যাতে মাথাচাড়া দিতে না পারে সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান তোতা, সম্পাদক এসএম তৌহিদুর রহমান, সাবেক সম্পাদক আহসান কবীর, সাংবাদিক ফখরে আলম প্রমুখ।মো. জামাল হোসেন/এএম/পিআর