দেশজুড়ে

কলকাতায় ফিরে গেল বাস দুটি

খুলনা-যশোর-বেনাপোলে ২৪ ঘণ্টা পরিদর্শন শেষে কলকাতায় ফিরে গেল ভারত-বাংলাদেশ সৌহার্দ্য পরিবহনের পরীক্ষামূলক সেই বাস দু’টি। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইমিগ্রেশনের যাবতীয় কার্যাবলী সম্পন্ন করে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বাস দু’টি কলকাতার উদ্দেশে বেনাপোল ছেড়ে যায়।ভারত-বাংলাদেশ সৌহার্দ্য বাড়াতে কলকাতা-যশোর-খুলনার মধ্যে সরাসরি বাস সার্ভিস চালুর লক্ষ্যে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলসহ ২৫ জন সদস্য নিয়ে বাস দু’টি কলকাতা থেকে বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছায়।এসময় শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক নিতাই চন্দ্র সেন, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপূর্ব হাসান, আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন, মোমিনুল ইসলাম ভারতীয় প্রতিনিধিদের ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান।পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাস দুইটি যশোর সার্কিট হাউজে পৌঁছালে প্রতিনিধিদলকে অভ্যর্থনা জানান যশোরের জেলা প্রশাসক ড. মো. হুমায়ুন কবীর ও পুলিশ সুপার আনিছুর রহমানসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকতারা।রাতেই বাস দুটি খুলনা সার্কিট হাউজে পৌঁছায়। সেখানে বাসের যাত্রীদেরকে স্বাগত জানান বিভাগীয় কমিশনার আবদুস সামাদ, জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব চন্দন কুমার দে প্রমুখ।পরে ভারত থেকে আসা প্রতিনিধিদল বুধবার সকালে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ ও অযোদ্ধার মঠ পরিদর্শন শেষে বেলা সাড়ে ৩টায় কলকাতার উদ্দেশে খুলনা থেকে ছেড়ে আসেন।ভারতের বাংলা প্রদেশ ট্রান্সপোর্ট বিভাগের স্পেশাল সেক্রেটারি বিশ্ব মাধব দাস গুপ্ত বলেন, আমাদের সবকিছু ভালো লেগেছে, আমরা একমাসের মধ্যে এ রুটে বাণিজ্যিকভাবে বাস চালু করতে আশাবাদী। তবে এই রুটে কত ভাড়া হবে তা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বাংলার একটি ভালো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আশা করি, এক দেশের প্রতি অন্যদেশের প্রত্যাশা পূরণ হবে। এ রুটের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন হবে।মো. জামাল হোসেন/বিএ