দেশজুড়ে

গরুর দাম চড়া, খাসির দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা

ঈদুল আজহা সামনে রেখে শেষ সময়ে গাইবান্ধার কুরবানির পশুর হাটগুলো জমজমাট হয়ে উঠেছে। এবার গরুর দাম বেশি হওয়ায় খাসির দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা।এছাড়া হাটগুলোতে ভারতীয় গরুর আমদানি নেই বললেই চলে। দাম বেশি হাঁকায় ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ঘটলেও গরু বেচাকেনা অপেক্ষাকৃত কম। সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী হাটের গরু বিক্রেতা মনজিল হোসেন জানান, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে গরু কেনা শুরু করলেও তারা তেমন দাম হাঁকছেন না। এদিকে স্থানীয়ভাবে ক্রেতার সমাগম বাড়লেও দেশি গরুর দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ছেন। গরু বিক্রেতারা মনে করছেন, ঈদের আগের দিন কুরবানি পশুর দাম আরো বাড়বে। তবে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা মনে করছেন দাম কমবে। শনিবার হাটগুলোতে ৪৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার মধ্যে গরু বেচাকেনা হয়েছে। যেসব বিক্রেতা বেশি দাম হাঁকছেন, তাদের দাম পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এদিকে প্রয়োজনের তুলনায় তিনগুণ হাসিল আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পলাশবাড়ী, মাঠেরহাট, দাড়িয়াপুরসহ একাধিক হাট ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ হাটেই সরকার নির্ধারিত হাসিল চার্ট লাগানো হয়নি। ফলে ইচ্ছা মতো ইজারাদাররা সরকার নির্ধারিত রেটের চেয়ে অতিরিক্ত হাসিল আদায় করছে। এতে হাসিল আদায়কারী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে প্রতিনিয়ত বাগবিতণ্ডা লেগেই থাকছে। এ বিষয়ে ভরতখালীর ইজারাদার আলহাজ মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত রেটেই হাটে হাসিল আদায় করা হচ্ছে। অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। অমিত দাশ/এসএস/আরআইপি