কুমিল্লায় লুট হওয়া ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকাসহ ৭ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি অস্ত্রসহ ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। শনিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন। জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থা এলাকার ফরিদ উদ্দিনের ছেলে আবদুস ছাত্তার ৩ লাখ এবং তার বন্ধু জেলার চৌদ্দগ্রামের ধনিজকরা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে খলিলুর রহমান সাড়ে ৪ লাখ টাকা নগরীর চকবাজার এলাকার ব্র্যাক ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেন। তারা রিকশাযোগে নগরীর মনোহরপুর এলাকায় পৌঁছালে সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা রিকশার গতিরোধ করে অস্ত্রের মুখে ওই টাকা লুট করে নেয়। এ বিষয়ে ব্যাংক গ্রাহক আবদুস সাত্তার বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ করেন। শুক্রবার রাতে ডিবির এসআই সহিদুল ইসলাম ও এসআই শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জেলার ময়নামতি এলাকা থেকে একটি এলজি ও ২ রাউন্ড গুলিসহ রুবেলকে (২৫) গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আরো ৬ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- নগরীর ২য় মুরাদপুর এলাকার জাফর আহম্মদের ছেলে শিবলী ওরফে শিবলু (২১), গাংচর এলাকার আবদুল মতিনের ছেলে ইবনে আশফাত ইকবাল ওরফে ফারহান (২৯), গোবিন্দপুর এলাকার খালেদ বিন ওয়ালিদের ছেলে সাইফুল ইসলাম ওরফে রনি (২১), মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকার আবদুল অদুদের ছেলে মিরাজুল সাকিব ওরফে সানি (২০), একই এলাকার সহিদুল্লাহ মজুমদারের ছেলে আরিফুল জাহান পুর্ণ (১৯) ও শাকতলা এলাকার রবিউলের ছেলে জিয়াউল হক ফাহিম। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত টাকার মধ্যে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয় এবং গ্রেফতার সন্ত্রাসী ফারহানের কাছ থেকে আরো একটি বিদেশি পিস্তলসহ ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। প্রেসব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, টাকা লুটের ঘটনায় নগরীর চিহ্নিত ৮ সন্ত্রাসী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। প্রেসব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. আলী আশরাফ ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. আবদুল মোমেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দফতর) তানভীর সালেহীন ইমন, ডিআইও-১ মো. মাহবুবুর রহমান ও জেলা ডিবির ওসি একেএম মনজুর আলম। কামাল উদ্দিন/এসএস/এবিএস