গাইবান্ধা থেকে সকল রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ধর্মঘটের আওতায় জেলার সকল রুটে বাস, ট্রাক ও দূরপাল্লার বাসহ সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।মঙ্গলবার ভোর পাঁচটা থেকে গাইবান্ধা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকে এ ধর্মঘট শুরু হয়। এর আগে রোববার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়।এদিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সর্বস্তরের যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যস্থলে যাচ্ছেন। এছাড়া ধর্মঘটের কারণে গাইবান্ধা জেলাসহ ৭টি উপজেলা থেকে ঢাকা, রংপুর, বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, জয়পুরহাট, নওগাঁ জেলাসহ সকল জেলায় চলাচলকারি দুরপাল্লার বাস-ট্রাক, মিনিবাস, মাইক্রোবাস জেলা শহরসহ অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতেও অটোবাইক, সিএনজি, অটোরিকশা, ম্যাজিক চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা সদরগুলোতেও রিকশা এবং ভ্যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।গোবিন্দগঞ্জ পরিবহন মালিক সমিতি কর্তৃক ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় গাইবান্ধা জেলা মোটর মালিক সমিতি পরিচালিত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল ১৪ অক্টোবর থেকে বন্ধ করে দেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে গাইবান্ধা জেলা মোটর মালিক সমিতি, জেলা ট্রাক, ট্যাংক লরি ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতি, পিকআপ মালিক সমিতি, বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস, শ্রমিক ইউনিয়ন, রিকশা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন সমন্বয়ে গঠিত গাইবান্ধা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ধর্মঘটের ডাক দেয়। জেলা প্রশাসক আবদুস সামাদ জাগো নিউজকে জানান, পরিবহন মালিক-শ্রমিকের উভয়পক্ষকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি ও জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক কাজী মকবুল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, গোবিন্দগঞ্জ পরিবহন মালিক সমিতি কর্তৃক সন্ত্রাসী কায়দায় শ্রমিকদের নির্যাতন, অবৈধ দাবী-দাওয়া বন্ধ না হলে লাগাতার ধর্মঘট চলবে। জিল্লুর রহমান পলাশ/এএম/এবিএস