দেশজুড়ে

এক কাতারে রাজাকার-মুক্তিযোদ্ধা

জমে উঠেছে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন। ২৯ অক্টোবর জেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ। আর এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের মধ্য প্রতিযোগিতা চলছে জোরে সোরে। বিগত কমিটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ সামনে তুলে ধরে নির্বাচনে জয়ী হতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সম্মিলিত ঐক্য পরিষদের নেতারা।এদিকে, নির্বাচনী প্রচারণায় এগিয়ে থাকা সম্মিলিত ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ মঙ্গলবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে সহ-সভাপতি প্রার্থী আশরাফুজ্জামান আশুর পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী একেএম আনিছুর রহমান।এসময় পরিষদের সহ-সভাপতি প্রার্থী মেহেদী হাসান, মুজিবর রহমান, কবীর উদ্দীন আহমেদ, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আব্দুুল মোমেন খান, যুগ্ম-সম্পাদক প্রার্থী আহম্মদ আলী সরদার, শেখ আব্দুল কাদেরসহ পরিষদের পক্ষ থেকে অংশ নেয়া ২৭টি পদের প্রার্থীসহ জেলার দায়িত্বরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।সম্মেলনে সম্মিলিত ক্লাব ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দরা নির্বাচনী ইশতেহারে ২১টি প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন কল্পে সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। যুবসমাজ যেন বিপদগামী না হয় সেজন্য ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সম্মিলিত ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক আশরাফুজ্জামান আশু বলেন, ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনকে কেন্দ্র রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা একসঙ্গে হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বি প্যানেল গঠন করেছে। বর্তমান সরকার যখন রাজাকার ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের শাস্তির বিষয়ে কঠোর। ঠিক তখন রাজাকার-মুক্তিযোদ্ধা এক প্যানেল হয়ে কিভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে সেটি সাতক্ষীরার সচেতন মহলের প্রশ্ন?তিনি আরো বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বি প্যানেল জজ-বদু-ফিরোজ-মিজান-নিজাম পরিষদের মধ্যে সহ-সভাপতি প্রার্থী হাসমে জাহিদ জজ ও বদরুল ইসলাম খান বদু মুক্তিযোদ্ধা। অন্যদিকে, একই প্যানেলের কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী মো. রইচউদ্দীন একজন চিহ্নিত রাজাকার। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের সহকারি পরিচালক মো. আব্দুর রজ্জাক খান মামলাটি তদন্ত করছেন। যার স্মারক নং -১৬৫৮। গত ২৭ সেপ্টেম্বর রইচউদ্দীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওই মামলার হাজিরাও দিয়েছেন।মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে মামলা রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে রইচউদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও তার মেয়ে নাছরিন আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘হ্যাঁ বাবার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। বাবা গত মাসে ঢাকায় গিয়ে মামলায় হাজিরা দিয়ে এসেছেন।আকরামুল ইসলাম/এআরএ/এবিএস