দেশজুড়ে

যশোরে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে গ্যালারি নির্মাণ শুরু

যশোর শামস উল হুদা স্টেডিয়ামের ঝুঁকিপূর্ণ গ্যালারি ও পুরনো ভবন ভেঙে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। ৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ২১ ফুট উঁচু ও ৫০০ ফুট লম্বা গ্যালারি। মঙ্গলবার দুপুরে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মো. হুমায়ুন কবীর। এ সময় যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব কবির, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মকছেদ শফী, আকসাদ সিদ্দিকী শৈবাল, এবিএম আক্তারুজ্জামান, শফিয়ার রহমান কালু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব কবির জানান, নব্বইর দশকের পর স্টেডিয়ামে এই প্রথম বৃহৎ আকারে উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। উন্নয়নের মাস্টার প্লানের অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে সকল পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ গ্যালারি ও ভবন পুনঃনির্মাণ করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি গ্যালারি নির্মাণ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আগের চেয়ে গ্যালারিতে ধারণক্ষমতা বাড়বে। দর্শকদের খেলা উপভোগ করতে কোনো অসুবিধা হবে না। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে সুন্দরভাবে খেলা উপভোগ করার যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। তিনি আরো জানান, কাজ তদারকির জন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে নির্বাহী পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তাককে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মোস্তাক বলেন, সিডিউল অনুযায়ী কাজ বুঝে নিতে আমরা আন্তরিক। ইতোমধ্যে মানসম্মত উপাদান নির্ধারণ করার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) রড, সিমেন্ট, ইট ও বালু পাঠানো হয়েছে। বুয়েট থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উপাদানগুলো দিয়ে মানসম্মত কাজ শুরু করা হবে। আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবিএম আক্তারুজ্জামান বলেন, উপাদানগুলো বুয়েট থেকে পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে। আমরা লিখিতভাবে এখনো ফলাফল পাইনি। তবে শুনেছি উপাদানগুলো মানসম্মত হচ্ছে। কোন প্রকার নিম্নমানের উপাদান দিয়ে কাজ হলে আমরা মেনে নেব না। এদিকে মাঠ সংস্কারের জন্য ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মাঠের বাউন্ডারি ফেন্সিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৩৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ব্যয়ে জিমনেশিয়াম ও ক্রীড়া হোস্টেলের সংস্কারের কাজ চলছে। পরবর্তী পর্যায়ে স্টেডিয়ামের মূলভবনসহ ঝুঁকিপূর্ণ গ্যালারিগুলো পুনঃনির্মাণ করার জন্য বরাদ্দ পেতে চেষ্টা করছেন কর্তৃপক্ষ। এগুলো করতে পারলে গ্যালারি ও ভবনগুলো আধুনিক ও মানসম্মত হবে বলে ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা মনে করছেন। একই সঙ্গে বর্তমানে ১১ হাজার ধারণ ক্ষমতার গ্যালারিতে প্রায় তিনগুণ দর্শকের আসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।মিলন রহমান/এএম/এবিএস