দেশজুড়ে

টাকার অভাবে ওষুধ কিনতে পারছে না রবিউলের পরিবার

নির্মাণ শ্রমিক রবিউল ইসলাম (৩০)। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের বালাকাটি গ্রামের শোকর আলি গাজীর বড় ছেলে। চার ছেলের মধ্যে রবিউল সবার বড়। বড় হওয়ার কারণে দায়িত্বটাও তার কাঁধে বেশিই ছিল। শ্রম দিয়েই সংসার চালাতেন।মেজ ভাই বাবু ও সেঝ ভাই শাহিনুর শ্রম দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। আর ছোট ভাই হাফিজুর রহমান স্থানীয় একটি কলেজে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষে লেখাপড়া করছেন। তার খরচটাও চালাতেন বড় ভাই রবিউল ইসলাম। বৃদ্ধ বাবা এখন আর ঠিকমতো কাজকর্ম করতে পারেন না।হঠাৎ একটি দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে গরিবের স্বপ্ন। এখন মৃত্যু শয্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। প্রতিদিন ৪-৭ হাজার টাকা খরচ তার চিকিৎসার জন্য। পরিবারে যেটুকু জমি ছিল সেটুকুও বিক্রি করে তার চিকিৎসার পেছনে ব্যয় করা হয়েছে।ইতোমধ্যে নিজেদের সর্বস্ব খরচ করে ফেলেছেন রবিউলের চিকিৎসার পেছনে। নিজেদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না, এখন শরণাপন্ন হয়েছেন সমাজের বিত্তবানের কাছে।রবিউলের ছোট ভাই হাফিজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর ভাই বাড়িতে কাজ করছিল। এ সময় হঠাৎ বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে পড়ে সমস্ত দেহ ঝলসে যায়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ৫২৫ নম্বর কক্ষের ২২ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত তিন দিন টাকার অভাবে ওষুধ কেনা হয়নি। আব্বার ১৫ কাঠা জমি ছিল সেটুকুও বিক্রি করে ভাইয়ের পেছনে ব্যয় হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। তাতেও সুস্থ হয়নি। সব মিলিয়ে এখনো চার লাখ টাকার প্রয়োজন। ডাক্তার বলেছেন, অপারেশন করতে হবে।ছেলেকে বাঁচাতে বৃদ্ধবাবা শোকর আলী গাজী সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন। সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা ইসলামী ব্যাংক, কালিগঞ্জ শাখা, হিসাব নম্বর-১৫৯১৬। মোবাইল বিকাশ নম্বর ০১৯৬০০৩৭৯৬৫।আকরামুল ইসলাম/বিএ