ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মুক্তার আহমেদ মৃধার ওপর হামলার ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই এমপি বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা মুক্তার আহমেদ মৃধাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার ঘটনার সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। দলের যারা জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বাকি যারা আছে তাদের বিরুদ্ধেও দলীয়ভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বুধবার ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুসহ অধিকাংশ নেতা উপস্থিত ছিলেন।হামলাকারীরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই এমপি এবং শৈলকুপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোনা সিকদারের অনুসারী বলে অভিযোগ ওঠার পর আব্দুল হাই এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।গত ১৮ অক্টোবর শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি দোকানে বসেছিলেন মোক্তার আহমেদ মৃধা ও তার ছেলে কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম মোরশেদ মৃধা। ওই সময় একদল যুবক লাঠি ও রামদা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়। ছেলে গোলাম মোরশেদ হামলাকারীদের হাত থেকে বাবাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও বেধড়ক পেটানো হয়। বর্তমানে মুক্তার আহমেদ মৃধা একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহমেদ নাসিম আনসারী/আরএআর/আরআইপি