দিনাজপুর চিরিরবন্দরে ফতেজংপুর ইউনিয়নের হাসিমপুর হাটের পাকা রাস্তার ওপর কর্তনকৃত রেইনট্রি কড়াই গাছটি কার, তা নিয়ে হাসিমপুর হাটে জল্পনার শেষ নেই। অভিযোগ উঠেছে গাছটি সরকারি খাস জমি হওয়ার পরেও স্থানীয় প্রভাবশালী মহল প্রভাব খাটিয়ে বিনা টেন্ডারে গাছটি কেটেছে।গাছটির ক্রেতা ধান ব্যবসায়ী সাদিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ৫০ হাজার টাকায় টেন্ডারের মাধ্যমে তিনি গাছটি কেটেছেন। তার কাছে টেন্ডারের কাগজ দেখতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে আছে বলে জানান। কিন্তু ওই জায়গার দোকান মালিক আনিছুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, জায়গাটি আসলে তার। সুতরাং গাছটিও তার। আর বর্তমান চেয়ারম্যান তার ভাগিনা হওয়ায় সে গাছ বিক্রি করে দিয়েছে। কত টাকায় বিক্রি করেছে তা তিনি জানেন না। তবে ইউপি চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মাদ লুনারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন অন্য কথা।তিনি জানান, জেলা পরিষদের হাবিবুর রহমান হাবিব গাছ কাটার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করে। তাই হয়তো টাকা না পেয়ে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে। পরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে হাবিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানায়, পাকা রাস্তার উপরে সরকারি খাস জমির গাছটির মূল্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা হলেও কীভাবে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে?এ ব্যাপারে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাবেদ আলীর শাহ্ জানান, গাছটি খাস জমির ওপর থাকায় আমি কাটার অনুমতি পায়নি।পরে ফতেজংপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আনিছুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না, তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভূমি সহকারী কমিশনারের সিদ্ধান্তে গাছটি কাটা করা হতে পারে।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাশফাকুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানতে পেরে ওনার সঙ্গে কথা বলার জন্য বলেন। অবশেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরোজ মাহমুদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।এমদাদুল হক মিলন/এফএ/পিআর