গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ২৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৬টিতে প্রধান শিক্ষকের পদসহ ৯৭টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এতে এ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।জানা গেছে, সরকার প্রাথমিক স্তরে শতভাগ শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিলে এ উপজেলায় ১৫ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ২৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে ওঠে। এর মধ্যে ৪৬টি স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে এসব স্কুলের কার্যক্রম চলছে। এদিকে, বিদ্যালয়গুলোতে শতভাগ শিক্ষার্থী থাকলেও শিক্ষক সঙ্কটে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধিসহ বাল্য বিয়ে বেড়েই চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান, শিক্ষকের পদগুলো শূন্য থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি শিক্ষকের পদ শূন্য থাকার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নেই সেখানে জ্যৈষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আরও জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সঙ্কটের কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা আকারে পাঠানো হবে।জিল্লুর রহমান পলাশ/আরএআর/এমএস