দেশজুড়ে

যশোরে ডিজিটাল ল্যাবের ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি

যশোরের শার্শা উপজেলার পাকশিয়া আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজে স্থাপিত শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের চারটি ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় শার্শা থানায় একটি এজাহার ও তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন কলেজের দাতা সদস্য শায়েস্তা খান, অভিভাবক সদস্য সানাউল্লাহ ও সহকারী অধ্যাপক নূর হোসেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতরের আওতায় সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নে শার্শা উপজেলায় ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়।  পাকশিয়া আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজের চারতলা ভবন নির্মাণের কাজ চলছে এবং ২য় তলার ২০১ নং কক্ষে স্থাপিত শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব। অভিযোগ রয়েছে, নৈশপ্রহরী সাজুুল ইসলাম রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় সঠিকভাবে কলেজের দায়িত্ব পালন করেন না। সে কারণে কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের পর ল্যাবের মোট ১৯টি ল্যাপটপ অফিস কক্ষের আলমারিতে জমা রাখেন। গত শনিবার রাতে কলেজের নৈশপ্রহরী কাউকে কিছু না বলে অনুপস্থিত থাকে। এ সুযোগে চোরেরা অফিস কক্ষের দরজার হ্যাজবোল্ট খুলে ঘরের অফিন রুমের আলমারির কাগজপত্র তছনছ করে এবং আলমারির তালা খুলে চারটি ল্যাপটপ নিয়ে পালিয়ে যায়।পাকশিয়া আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনিছুর রহমান বলেন, রোববার সকাল সাড়ে ৭টায় কলেজের সহকারী অধ্যাপক নূর হোসেন চুরির বিষয়ে আমাকে জানান। কলেজে এসে দেখি চারটি ল্যাপটপ নেই, যার আনুমানিক মূল্য আড়াই লাখ টাকা। তিনি আরো বলেন, আমি এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের জানিয়েছি। এ ঘটনায় নৈশপ্রহরীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সঠিকভাবে দায়িত্ব অবহেলার কারণে শোকজ করেছি। থানা থেকে  পুলিশ এসে তদন্ত করে গেছেন এবং আমি থানায় যেয়ে একটি এজাহার দাখিল করেছি। মো. জামাল হোসেন/এএম/আরআইপি