যশোরে এক নারীকে হত্যার ঘটনায় নাজমুল হাসান নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা জজ) আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা বুধবার বিকেলে এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত নাজমুল যশোরের কেশবপুর উপজেলার বড়েঙ্গা গ্রামের আমিন উদ্দীন হাওলাদারের ছেলে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক আছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ১৭ এপ্রিল বড়েঙ্গা গ্রামের রহিমা খাতুনের দুটি ছাগল নাজমুলদের বেগুন ক্ষেতে ঢোকে। ওই ছাগল বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে তারা। রহিমা খাতুন ছাগল দুটি ছাড়িয়ে আনতে গেলে নাজমুলের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাজমুল কাঠ দিয়ে রহিমাকে আঘাত করেন। এতে তিনি মারা যান। এরপর নিহত রহিমার স্বামী আজহার উদ্দীন হাওলাদার সাতজনকে আসামি করে কেশবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাজমুলকে অভিযুক্ত করে ও অপর ছয়জনকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্পশাল জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী (পিপি) এসএম বদরুজ্জামান পলাশ বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত নাজমুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। মিলন রহমান/এএম/আরআইপি