দেশজুড়ে

পুলিশের কানের পর্দা ফাটানো সেই ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

পুলিশ সদস্যকে মারধর করে কানের পর্দা ফাটানোর ঘটনায় শরীয়তপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা আক্তার হোসেন ঢালীকে গ্রেফতারের পর শনিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসককে হুমকি ও অপদস্ত, সরকারি কাজে বাধা এবং পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে পালং মডেল থানায় দায়ের করা দুটি মামলার প্রধান আসামি এই ছাত্রলীগ নেতা।এ ব্যাপারে শরীয়তপুর ডিবি পুলিশের ওসি সুব্রত কুমার সাহা জানান, পালং মডেল থানায় শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদার, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি (বর্তমানে বহিষ্কৃত) আক্তার হোসেন ও পালং তুলাসার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শেখ খলিলুর রহমান জাগরণ শেখকে আসামি করে দুটি মামলা করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একদল পুলিশ সদস্য ঢাকা বিমানবন্দর থেকে মামলার প্রধান আসামি আক্তার হোসেন ঢালীকে গ্রেফতার করে। শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে শরীয়তপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।উল্লেখ্য, আক্তার হোসেন ঢালী তার মামা মো. আলমগীর হোসেন হাওলাদারের নির্দেশে সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত ডা. দেবাশীষ সাহাকে একটি অনৈতিক চিকিৎসা সনদপত্র দিতে বলে। তাদের পছন্দ মতো সনদপত্র দিতে অস্বীকার করলে আক্তার হোসেন ঢালী ডা. দেবাশীষ সাহাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা পুলিশ সদস্য সেলিম মাতুব্বর আক্তার হোসেন ঢালীকে গালমন্দ না করার জন্য বলে। তখন আক্তার চড়াও হয়ে সেলিমের কানে চড় মারলে তিনি ফ্লোরে পড়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, চড়ে সেলিমের কানের পর্দা ফেটে গেছে।মো. ছগির হোসেন/আরএআর/আরআইপি