দেশজুড়ে

কুড়িগ্রামে রেল যোগাযোগ আধুনিকায়নের দাবি

বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় একটি পরিদর্শক দল সোমবার দিনব্যাপী কুড়িগ্রাম রেলপথের অবস্থা পরিদর্শন করেছে। এ সময় জেলা রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটি অবস্থান ধর্মঘট, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করে।জানা যায়, পরিদর্শক দলটি সকালে রংপুর থেকে কুড়িগ্রামে আসে। এ সময় সিঙ্গেরডাবরী স্টেশন থেকে পর্যায়ক্রমে রমনা স্টেশন পর্যন্ত ৮টি স্টেশন পর্যবেক্ষণ করেন তারা। দুপুরে কুড়িগ্রাম নতুন রেলওয়ে স্টেশনে জেলা রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।এ সময় বাংলাদেশ রেলের বিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, তিস্তা থেকে রমনা স্টেশন পর্যন্ত কুড়িগ্রামের ৫০ কিলোমিটার ব্যাপী পথ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ৭৫ পাউন্ডের জায়গায় এসব রেলের ওজন নেমে দাঁড়িয়েছে ৫০ থেকে ৬০ পাউন্ডে। লাইনগুলোতে বল্টু ছাড়াও পর্যাপ্ত পাথর নেই। রয়েছে স্লিপার সংকট। এ অবস্থায় রেলের গতি ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন ড্রাইভাররা।এছাড়াও জেলার ৮টি স্টেশনের অবকাঠামো দুর্বল বলে উল্লেখ করেন তিনি। দিনব্যাপী পরিদর্শনের সময়ে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারি পরিদর্শক আক্তারুজ্জামান, বিভাগীয় রেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম, ডিভিশনাল ট্রাফিক পুলিশ মোস্তাফিজার রহমান, বিভাগীয় কমান্ডেন্ট রেজওয়ানুল রহমান, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সফি খান, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ রাশেদুজ্জামান বাবু, ছাত্রলীগ সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান সাগর প্রমুখ। কুড়িগ্রাম রেল যোগাযোগ আধুনিকায়ন ও আন্তঃনগর ট্রেনের দাবির ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলের বিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম দাবিটি যৌতিক বলে স্বীকার করেন। পাশাপাশি তার রিপোর্টের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরবেন বলেও জানান তিনি।নাজমুল হোসাইন/এএম/আরআইপি