গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ১০ টাকা কেজির ২৩০ বস্তা চাল আটকের ঘটনায় ডিলার মো. এমিল ছাদেকিন সম্রাটসহ অজ্ঞাত পরিচয় ছয় থেকে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. আব্দুল জলিল মণ্ডল বাদী হয়ে রোববার রাতেই সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন।সোমবার বিকেলে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হতদরিদ্রদের মধ্যে চাল বিতরণ না করে পাচার করে কালো বাজারে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে ডিলার এমিল ছাদেকিন সম্রাটসহ অজ্ঞাত পরিচয় ছয় থেকে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর আছে।এর আগে রোববার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ছিলামনি বাজার থেকে ট্রলি যোগে চাল পাচারের সময় ট্রলিটি আটক করে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ট্রলি থেকে ৬৪ বস্তা ও গোডাউন থেকে আরও ১৬৬ বস্তা চাল উদ্ধার করে। পরে উদ্ধার করা চালের বস্তাগুলো জব্দ করে সুন্দরগঞ্জ থানায় রাখা হয়। এ বিষয়ে ডিলার এমিল ছাদেকিন সম্রাটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ শেষে বিধি মোতাবেক বিতরণ প্রতিবেদনসহ অবিতরণকৃত চালের প্রতিবেদন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দফতরে দাখিল করা হয়। চালগুলো তার গোডাউন থেকে অন্য গোডাউনে নিয়ে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। তবে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল জলিল মণ্ডল জানান, ডিলাররা অবিতরণকৃত চালের কোনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুল আলম জানান, চাল আটকের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলা তার নিজস্ব গতিতেই চলবে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ডিলারসহ কেউ ছাড় পাবে না। জিল্লুর রহমান পলাশ/আরএআর/পিআর