দেশজুড়ে

নাসিকের ৭ নং ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্রের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সিদ্ধিরগঞ্জের ৭নং ওয়ার্ডে নতুন ভোট কেন্দ্র স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ৭ নং ওয়ার্ডের ৪ কাউন্সিলর প্রার্থী ও এলাকাবাসী।বুধবার দুপুরে নয়াপাড়া এলাকার ভোটাররা ভাঙ্গারপুল এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আলাউদ্দিন ভূইয়া, হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম বাবু ও জীবন খান এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ সময় এলাকাবাসী নতুন ভোট কেন্দ্রের দাবিতে বিক্ষোভ করে। নতুন ভোট কেন্দ্র না দিলে তারা আগামী ২২ ডিসেম্বরের নাসিক নির্বাচনে ভোট না দেয়ার অঙ্গীকার করে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। বক্তারা বলেন, কদমতলী দক্ষিণ ও নয়াপাড়া (গোদনাইল নয়াপাড়া) অংশ প্রায় সাড়ে ৮ হাজার ভোটারের জন্য নতুন ভোট কেন্দ্রের আবেদন করেও কেন্দ্র দেয়নি নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। কিন্তু কদমতলী উত্তর অংশে ৬ হাজার ভোটার এলাকার জন্য নারী পুরুষদের জন্য ৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখ জনক ঘটনা। তারা অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ তার ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য নতুন ভোট কেন্দ্র স্থাপন করতে দেয়নি। নাসিকের ৭নং ওয়ার্ডে ২০১১ সালের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১১ হাজার ৮৩৮ জন। এর মধ্যে কদমতলী আদমজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পুরুষ ভোট কেন্দ্রে ২ হাজার ৯০২ জন ভোটার। এমডাব্লিউ হাইস্কুল মহিলা ভোট কেন্দ্রে ৩ হাজার ৩৫ জন ভোটার। সরকারি এম ডাব্লিউ কলেজ-১ পুরুষ ভোট কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ৯০৭ জন। সরকারি এম ডাব্লিউ কলেজ-২ মহিলা ভোটকেন্দ্রে ভোটার ৩ হাজার ৪ জন। এবছর ভোটার ১৪ হাজার ৪৩৬ জন।বক্তারা জানান, ৭নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকানুযায়ী কদমতলী উত্তর, কদমতলী দক্ষিণ, নয়াপাড়া (গোদনাইল নয়াপাড়া) এই তিনটি অংশে বিভক্ত। গত নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দিয়েছেন কদমতলী আদমজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সরকারি এম ডাব্লিউ স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে। ওই কেন্দ্র দুটি পাশাপাশি অবস্থিত। এদিকে ভোটকেন্দ্রটি থেকে নয়াপাড়া অংশটি অনেক দূরে হওয়ায় ভোটারদের অনেক দূর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। তাই নতুন ভোট কেন্দ্রের জন্য এলাকাবাসী নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদনও করে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নারায়ণগঞ্জ কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানানোর পরও নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেয়নি। সংবাদ সম্মেলনে তারা নতুন ভোট কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। হোসেন চিশতী সিপলু/এএম/এমএস