দেশজুড়ে

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র হত্যায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

সাতক্ষীরায় অপহরণের পর কলেজছাত্র গৌতম সরকার (২০) হত্যার ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এক আসামি। শনিবার বিকেলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হাবিবুল্লাহ মাহমুদের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক এ জবানবন্দি প্রদান করেন। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন মামলার আসামি সদরের ভাড়ুখালি গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে শাহাদাত হোসেন। সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্লা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রোববার আদালতে আসামিদের রিমান্ড শুনানি হবে। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বাড়ির পাশে রহুল আমিনের দোকানে বসে টেলিভিশনে ক্রিকেট খেলা দেখছিলেন গৌতম সরকার। এ সময় মোবাইলে কল করে তাকে কে বা করা ডেকে নিয়ে যায়। সেদিন থেকেই নিখোঁজ ছিলেন গৌতম। পরদিন তার বাবা সদর উপজেলার ঘোনা ইউপি ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বর গণেশ সরকারের কাছে গৌতমের মোবাইল থেকে কল দিয়ে প্রথমে ১০ লাখ পরে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা নিয়ে বয়রা এলাকায় যাওয়ার কথা বলে অপহরণকারীরা। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানান গণেশ সরকার।ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গণেশ সরকার আরও বলেন, তারা আমাকে বলে বেশি বুঝলে ছেলেকে জীবিত দেখতে পাবি না। অপহরণকারীদের কথা মত বয়রা এলাকায় টাকা নিয়ে গেলে সেখান থেকে আটক করা হয় তিন অপহরণকারীকে। সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্লা জানান, এ ঘটনায় শুক্রবার ছয়জনকে আসামি করে সাতক্ষীরা সীমান্ত আদর্শ কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র গৌতমের বাবার অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথমে তিনজন ও পরে দুইজনকে গ্রেফতারের পর এদের ভাষ্যমতে মরদেহ শনিবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে সদরের ভাড়ুখালি গ্রামের শাহাদাৎ মোড়ল, মহসিন আলী, মহাদেবনগরের সাজু শেখ, সুড়িঘাটা নাজমুল হোসেন ও শাওন।আকরামুল ইসলাম/এএম/পিআর