অবসান হচ্ছে জেলা পরিষদের প্রশাসক যুগের। আর প্রশাসক নয়, এবার দেশের সকল জেলা পরিষদ পেতে যাচ্ছে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনপ্রতিনিধিদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন ঠাকুরগাঁওয়ের চেয়ারম্যানসহ ২১ জন। এর মধ্যে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও পাঁচজন সংরক্ষিত নারী সদস্য রয়েছেন।ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সাদেক মুহাম্মদ কুরাইশী।এছাড়াও সদস্য প্রার্থীরা দিনে বা রাতে ভোটারদের কাছে ও বাসায় গিয়ে ভোট চাচ্ছেন। সমানতালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও চলছে প্রচারণার ঝড়। জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে একপ্রকার আনন্দ বিরাজ করছে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে। অপরদিকে জেলায় সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৩ জন ও সংরক্ষিত মহিলা ৭ জন। সদস্য প্রার্থী আব্দুল কাদের বলেন, ভোটারদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওয়ের সার্বিক উন্নয়নে সবার মতামতের ভিত্তিতে অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সুন্দর একটি জেলা গড়ে তুলব। গণসংযোগকালে ভোটাররা খুব সাড়া দিচ্ছে। বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এই প্রার্থী। সদস্য প্রার্থী সমীর দত্ত জানান, এই ওয়ার্ডের ৪০ ভোটারের অধিকাংশই তার সঙ্গে আছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী। এক্ষেত্রে বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।বেগুনবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বনি আমিন বলেন, যে প্রার্থী ঠাকুরগাঁওকে মডেল জেলা হিসেবে পরিণত করতে চান, তাকে আমরা ভোট দিবো।ঠাকুরগাঁও পৌরসভার কাউন্সিলর আতাউর রহমান বলেন, খেলাধূলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও উন্নয়ন বঞ্চিত আমরা। এক্ষেত্রে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিবো।পূবার্শা প্রেসের মালিক আব্দুল মান্নান জানান, পোস্টার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ডিজিটাল ব্যানার ছাপার কাজ ভালোই চলছে। অন্যান্য সময়ের চেয়ে ব্যস্ততা যেমন বেড়েছে, তেমনি আর্থিক সচ্ছলতাও এসেছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ভাবে জেলা পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা করতে পারব বলে আশা করছি।রবিউল এহসান রিপন/এফএ/পিআর