ঝালকাঠি জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত ও সাধারণ সদস্য পদে পাঁচ প্রার্থীর দৌড়-ঝাঁপ এবং প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় জেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে প্রত্যেক প্রার্থীই আশাবাদী। তবে ভোটাররা বলছেন, শিক্ষিত, সৎ, ত্যাগী, যোগ্য ও দক্ষ লোককে ভোট দিয়ে তারা জয়যুক্ত করবেন। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত সদস্য পদে রাজাপুরে ২ নং ওয়ার্ডে লিপি আক্তার (টেবিল ঘড়ি) ও নাসরিন সুলতানা মুন্নি (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাতুরিয়া, রাজাপুর ও বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে নারী ও পুরুষদের আলাদা দুটি বুথ থাকবে। সংরক্ষিত ২ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৮১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬২ ও নারী ভোটার ১৯ জন। সাধারণ সদস্য পদে ৫ নং ওয়ার্ডে গিয়াস উদ্দিন (হাতি), মো. ইদ্রিস আলী (অটো রিকশা), আব্দুস সোবাহান খান (তালা) প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা রয়েছে ২৬ জন। ১ নং সাতুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে সাধারণ সদস্য পদের ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন- চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত সরদার মো. শাহ আলম, সংরক্ষিত সদস্য পদে রেবা রাণী মণ্ডল (ওয়ার্ড-১), শারমিন মৌসুমী কেকা (ওয়ার্ড-৩), সেজুতি বিশ্বাস (ওয়ার্ড-৪), নাসিমা আক্তার (ওয়ার্ড-৫)। সাধারণ সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন শাখাওয়াত হোসেন অপু সিকদার (ওয়ার্ড-১), এসএম আমিনুল ইসলাম (ওয়ার্ড-২), মো. মনিরুজ্জামান (ওয়ার্ড-৩), ফয়জুর রব আজাদ (ওয়ার্ড-৪), অধ্যক্ষ মো. গোলাম বারী (ওয়ার্ড-৬), আব্দুর রশিদ হাওলাদার (ওয়ার্ড-৭), অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান রসুল (ওয়ার্ড-৮), সালাহউদ্দিন আহমেদ সালেক (ওয়ার্ড-৯), সাইদুর রহমান সেন্টু (ওয়ার্ড-১০), মোহাম্মদ আলী খান (ওয়ার্ড-১১), আব্দুল ওয়াহেদ খান (ওয়ার্ড-১২), মাহবুব হোসেন (ওয়ার্ড-১৩), খন্দকার মুজিবুর রহমান (ওয়ার্ড-১৫), ইঞ্জিনিয়ার মো. হাতেম আলী (ওয়ার্ড-১৬)। মো. আতিকুর রহমান/আরএআর/জেআইএম