জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলার ১২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। হাইকোর্টে মামলার কারণে মঙ্গলবার রাতেই তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা হারুনার রশীদ কলেজ কেন্দ্র ও দেবহাটা উপজেলার সখিপুর খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজ কেন্দ্র দুটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে।তবে আগে থেকেই হাইকোর্টের নির্দেশে ৯নং ওয়ার্ড শ্যামনগর সদর উপজেলা ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। যেখানে ভোটার সংখ্যা ছিল ৬৫ জন। এছাড়া ১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। মোট ১ হাজার ৬১ জন ভোটারের মধ্যে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকায় তিন কেন্দ্রে মোট ২০৭ জন ভোটার ভোট দিতে পারছেন না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আনছার বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। সতন্ত্র প্রার্থী জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম জাগো নিউজকে জানান, সরকারের ইচ্ছায় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হচ্ছে। প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পক্ষীয় লোকজন ও প্রার্থী নিজেই ভোটের দিনও ভোটারদের হুমকি ধামকি দিচ্ছে। ভোটের পর ২৯ তারিখ দেখে নেওয়া হবে। তাছাড়া বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বোমা ফাটিয়ে বা আতঙ্ক সৃষ্টি করে ভোট বন্ধ করার পায়তারা চালালেও প্রশাসক নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে।তবে সতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে পাল্টা অভিযোগ করে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনছুর আহমেদ বলেন, জামায়াত-শিবির সমর্থিত লোক দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে সতন্ত্র প্রার্থী।জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন জাগো নিউজকে বলেন, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হচ্ছে। যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে কেউ বিশৃঙ্খলা ঘটানোর চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আকরামুল ইসলাম/এফএ/পিআর