ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থীর সমর্থকরা। মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ মানববন্ধনে সদস্য প্রার্থী মো. আলমগীর কবিরের (টিউবওয়েল প্রতিক) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন।মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ৭নং ওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আলমগীর কবির, বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. আফজাল মিয়া, ইছাপুরা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য আমিন মিয়া প্রমুখ।এর আগে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে বেসরকারিভাবে ফলাফল প্রকাশের আগে ২৮ ডিসেম্বর বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ২৯ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন আলমগীর কবির।লিখিত অভিযোগে আলমগীর কবির বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. জহিরুল হক ভূইয়া তালা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে জহিরুল হকের লোকজন ভোটগ্রহণকালে বিভিন্ন কারচুপির মাধ্যমে অন্যায়ভাবে জাল ভোট প্রদান করেন। পাশাপাশি ভোট গণনার সময় সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারের সহযোগিতায় কারচুপি করে। আমার নিশ্চিত বিজয়কে ১ ভোটে পরাজিত করার জন্য বাজেয়াপ্ত ভোট গণনা করে আমাকে বেসরকারিভাবে পরাজিত ঘোষণা করে।অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৭নং ওয়ার্ডের ভোটভোটগ্রহণ ও গণনায় কারচুপির ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। সেই সঙ্গে প্রার্থী জহিরুল হকের গেজেট প্রত্যাহারসহ তার সহযোগী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে আমার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। যা কখনও পূরণ হওয়ার নয়।আজিজুল সঞ্চয়/এএম/আরআইপি