দেশজুড়ে

বগুড়া পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

বগুড়ার পৌর মেয়র ও বিএনপির শীর্ষ নেতা অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে পৌর প্রশাসন পরিচালনায় স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ তদন্তের জন্য আগামী ১৫ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছে স্থানীয় মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পৌরসভার একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ৫ ব্যক্তি স্থানীয় মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর গত ১৪ ডিসেম্বর বগুড়া পৌর সভার মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেন। এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা। অভিযোগকারীরা হলেন, বগুড়া শহরের চেলোপাড়া এলাকার আনন্দ দাস, শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার সেলিম শেখ, চকরপাড়া এলাকার রাহাত শেখ, নিশিন্দারা খাঁপাড়া এলাকার মোশারফ সরকার এবং চাপড়পাড়া এলাকার ওহেদুজ্জামান বাবু।  তাদের অভিযোগ, মেয়র কর্তৃক পৌর পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করা, নামে-বেনামে টেন্ডার আহ্বান, ইচ্ছাকৃত ও  স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নিয়ে আইনবহির্ভূতভাবে পৌরসভার ট্যাক্স বৃদ্ধি ও কমানো, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতিত জনবল নিয়োগ দেয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের গ্রাচ্যুইটির টাকা পরিশোধ না। একই সঙ্গে পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে প্রায় ১৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করার অভিযোগ করেন তারা।অভিযোগ পাওয়ার পর গত ২৭ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আব্দুর রউফ মিয়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের রাজশাহীর পরিচালক শ্যাম কিশোরকে বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।এ বিষয়ে রাজশাহীর পরিচালক শ্যাম কিশোর জানান, অভিযোগ তদন্ত করতে আগামী ১৫ জানুয়ারি বগুড়া আসছেন তিনি। এ ব্যাপারে পৌরসভার চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসককে অবগত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিকে, বগুড়ার পৌর মেয়র ও বিএনপির শীর্ষ নেতা অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগকে ষড়যন্ত্রমূলক, ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন।তিনি বলেন, যেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে তা নিয়ে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়নি। তদন্ত করলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।লিমন বাসার/এএম/এমএস