দেশজুড়ে

ফের পেছালো না.গঞ্জ বিএনপির কার্যালয়ের মামলার রায়

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যালয় নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে দায়েরকৃত মামলার রায় আবারও পিছিয়েছেন আদালত। বিএনপির কার্যালয়ের ভাগ্য নির্ধারণের দিন থাকলেও আদালত রায়ের সময় পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।  সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা যুগ্ম জজ আদালত এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য ছিল। এর আগে গত বছরের ২৮ আগস্ট এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য হয়।দুই দফা এ রায়ের দিন পেছানোর কারণে চিন্তিত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। তিনি সোমবার দলীয় কার্যালয়ের মামলার রায় ঘোষণার দিন থাকায় আদালতে হাজির হন।  এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, হাজারও টেনশনের মধ্যে এ মামলার রায় নিয়ে মহাটেনশনে রয়েছি। আমরা সাবেক পৌরসভা থেকে বিএনপি কার্যালয়ের জন্য ভবনের দ্বিতীয় তলা ইজারা নিয়েছি। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন বিএনপি কার্যালয় উচ্ছেদের জন্য যে চিঠি দিয়েছে সেই চিঠিটাই অবৈধ। বেআইনিভাবে আমাদের উচ্ছেদের চিঠি দেয়া হয়েছে। আমরা এ বিষয়টি আদালতকে বলেছি। এছাড়াও আমরা আমাদের কাগজপত্রসহ বক্তব্য আদালতে সুস্পষ্টভাবে আদালতে তুলে ধরেছি। গত বছরের ২৬ জুলাই নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শুনানি হয়। ওই শুনানিতে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার অর্ধশত আইনজীবীদের নিয়ে শুনানিতে অংশ নেন। এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি কার্যালয় নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাথে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তৈমূর আলম খন্দকার ও তার অনুগত আইনজীবীরা। সোমবারও তৈমূর আলম খন্দকার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।যদিও এ মামলার বাদী অ্যাডভোকেট জাকির হোসেনকে মামলার শুনানি কিংবা আদেশের ধার্য তারিখে দেখা যায়নি। যদিও এদিন নগর বিএনপির সেক্রেটারি এটিএম কামালকে আদালতে দেখা গেছে। গত ২৬ জুলাই নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জজ আদালতে বিএনপির মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ২ ঘণ্টা শুনানি হয়। বিএনপির আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেছেন, ভবনটি নতুন করে করা হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিএনপিকে বুঝিয়ে দিতে হবে। আর নতুন ভবন করার পর কোনো চার্জ বিএনপি দেবে না।জানা গেছে, আলী আহাম্মদ চুনকা পাঠাগার সংলগ্ন জেলা বিএনপির কার্যালয়ের ভবন ভেঙে সেখানে ৯ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আরো আগে থেকেই নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও জেলা বিএনপির দায়ের করা একটি মামলার কারণে সেটা বিলম্ব হয়।তবে এর আগে আদালত ওই মামলাটি খারিজ করে দেয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দোকান মালিকদের সরে যাওয়ার জন্য সিটি কর্পোরেশন হতে নোটিশ দেয়া হয়েছিল। জেলা বিএনপি কার্যালয় যে ভবনটির দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত তার নিচতলায় সাতটি দোকান রয়েছে।বিএনপির অভিযোগ, তাদের দলীয় কার্যালয়ের পাশে আলী আহাম্মদ চুনকা পাঠাগার নির্মাণেই অনেক সময় লেগে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে দলীয় কার্যালয়ের ক্ষেত্রে এমনটা হতে পারে।মো. শাহাদাত হোসেন/এএম/পিআর