চট্টগ্রাম বিভাগের ডিআইজি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেছেন, মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলে তাদের (মাদক ব্যবসায়ী) পুনর্বাসন করা হবে। যারা মাদক মামলায় সাজাভোগ করে কারাগার থেকে বেরিয়ে ফের এ ব্যবসায় জড়িত হচ্ছেন, তারা ভালো হয়ে যান। যদি পুলিশের কেউ মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন, তাহলে তারও বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাদক, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের সঙ্গে কোনো আপোস নেই।মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার দেনায়েতপুর এলাকায় পুলিশের রায়পুর সার্কেল অফিস উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার আ স ম মাহতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নোমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লায়ন এম এ আউয়াল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, রায়পুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন হাওলাদার, রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আ ক ম রুহুল আমিন প্রমুখ।প্রসঙ্গত, রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলা নিয়ে পুলিশের রায়পুর সার্কেল অফিস স্থাপন করা হয়। এর দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার পংকজ কুমার দে। ওই পুলিশ কর্মকর্তা আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে সকলের সহযোগীতা চেয়েছেন। কাজল কায়েস/এআরএ/পিআর