দেশজুড়ে

আনসার ক্যাম্পে লুট হওয়া বাকি অস্ত্র উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের নিরাপত্তায় থাকা আনসার ক্যাম্প থেকে লুট হওয়া বাকি ৬ অস্ত্র মিয়ানমার সীমান্তের নাইক্ষ্যংছড়ি তুমব্রু পশ্চিমকুল গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৭)। বুধবার সকালে এসব অস্ত্র (এসএমজি এবং রাইফেল) উদ্ধার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র লুটের ঘটনার মূলহোতা রোহিঙ্গা ডাকাত নুরুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে নিয়েই র‌্যাব সদস্যরা অস্ত্র উদ্ধারে অভিযানে নামে।আনসার ক্যাম্পে লুট হওয়া সবকটি অস্ত্র উদ্ধার ঘটনা নিয়ে আজ (বুধবার) বেলা ২টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, র‌্যাব ও আনসার মহাপরিচালকের উপস্থিতিতে কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি নিয়ন্ত্রণাধীন নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের তুমব্রু বিওপিতে সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানান র‌্যাব-৭ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আশিকুর রহমান।বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে লে. কমান্ডার আশিকুর রহমান বলেন, অস্ত্র লুটের মূল নায়ক নুরুল আলম মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডু থানার বাসিন্দা। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৩ মে ভোর রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়ার মুচনী এলাকার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলা চালায় এক দল দুর্বৃত্ত। এতে নিহত হন আনসার ক্যাম্পের কমান্ডার মো. আলী হোসেন। লুট করা হয় ১১টি বিভিন্ন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬৭০টি গুলি।এ ঘটনায় জড়িত হিসেবে প্রথম থেকে রোহিঙ্গাদের দায়ী করে র‌্যাব ও পুলিশসহ আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা।ঘটনার পরদিন অজ্ঞাত পরিচয় ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে আনসার ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারও করেছে র‌্যাব ও পুলিশ।সর্বশেষ গত ১০ জানুয়ারি ৩ জনকে আটক করে ১টি এসএমজি, ৬টি ম্যাগাজিন, ১টি চাইনিজ রাইফেল ও ২টি এম-টু চাইনিজ রাইফেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব। বাকি অস্ত্রগুলো বুধবার উদ্ধার করতে পেরেছে র‌্যাবের চৌকষ দল। সায়ীদ আলমগীর/এফএ/পিআর