দেশজুড়ে

হাসপাতালের সরকারি ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা

নীলফামারীর ডিমলা সরকারি হাসপাতালের পাচার হওয়া ১৩ প্রকারের ২০ হাজার ৩৩০ পিস ক্যাপসুল, সিরাপ ও ট্যাবলেট উদ্ধারের ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জন অফিস তিনটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে পুলিশ বাদী হয়ে গ্রেফতার মমিনুরসহ তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন হাসপাতালের সহকারী কম্পাউন্ডার সফিয়ার রহমান (৩৭) ও মাইক্রোচালক বালাপাড়া ইউনিয়নের নিজ সুন্দরখাতা গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল (২৬)। এর আগে মঙ্গলবার ভোরে ডিমলা থানা পুলিশ উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের রূপাহারা গ্রামের মমিনুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব সরকারি ওষুধ উদ্ধারসহ মমিনুর রহমানকে (৩৫) গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রশিদ ডিমলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদুজ্জামানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।তদন্ত কমিটির অন্যরা হলেন ডিমলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অনুপ কুমার রায় ও উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক লোকমান হোসেন। অন্যদিকে বহির্বিভাগের ওষুধ তদন্তের জন্য চার সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন আহ্বায়ক ডিমলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদুজ্জামান, সদস্য সচিব ডা. অনুপ কুমার রায়, সিনিয়র স্টাফ নার্স হাসিনা আক্তার ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক লোকমান হোসেন। এছাড়া নীলফামারী সিভিল সার্জন অফিস সরকারি ওষুধের ঘটনাটি তদন্তের জন্য নীলফামারী হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট জাহাঙ্গীর আলমকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির সদস্যরা হলেন, সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মমর্তা ডা. সিরাজুল ইসলাম, জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মমর্তা ডা. জেড এ সিদ্দিকী ও নীলফামারী সিভিল সার্জন অফিসের ডা. মনিরুজ্জামান।সিভিল সার্জন আব্দুল রশিদ জানান, ডিমলা থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের ঘটনায় ৩টি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ডিমলা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহাবুদ্দিন বলেন, ঘটনাটির তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার মমিনুর রহমানকে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।জাহেদুল ইসলাম/এএম/আরআইপি