গরিবের মেয়ে রুমা খাতুন। বাবা আরেক নারীকে বিয়ে করে অন্য জায়গায় সংসার করে। রুমাদের কোনো খোঁজখবর রাখেন না বাবা মেছের আলী। মা রসুন খেতে কাজ করে যা আয় করে তা দিয়ে তাদের কোনো মতে সংসার চলে। বুধবার সকালে স্কুলে যায়নি রুমা খাতুন। এ নিয়ে মা তাকে বকাবকি করেছে। এতে রুমা অভিমান করে বৃহস্পতিবার সকালে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। দুপুরে খাবার খেতে রুমাকে ডাকেন মা। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে দেখতে পায় রুমা খাতুন আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। এ অবস্থা দেখে রুমার মা চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকারে পরিবারসহ স্থানীয়রা এগিয়ে আসে। স্থানীয়দের খবরের ভিতিত্তে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মহেষ রৌহালী গ্রামে পৌঁছে পুলিশ। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাড়াশ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রুহুল আমীন মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। নিহত রুমা খাতুন (১২) তাড়াশ উপজেলার মহেষ রৌহালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ও একই গ্রামের মেছের আলীর মেয়ে।তাড়াশ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় ইউডি মামলা করা হয়েছে।ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এএম/পিআর