দেশজুড়ে

১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও চালু হয়নি গ্যাস সরবরাহ

১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও স্বাভাবিক হয়নি টাঙ্গাইলের গ্যাস সরবরাহ। এ নিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পরেছে আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্যাসের গ্রাহকরা। এর ফলে চরম ক্ষিপ্ত ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। স্থানীদের অভিযোগ, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা এলাকার পৌলী নদীতে ২০ ইঞ্চি ব্যাসের গ্যাস পাইপ লাইন ক্রসিং এর টাই ইন কাজের জন্য এলেঙ্গা মিটারিং অ্যান্ড রেগুলেটিং স্টেশন হতে টাঙ্গাইল শহর হয়ে কুমুদীনি ডিআরএস পর্যন্ত এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের ও ডরিন পাওয়ার প্লান্টে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে একটি জরুরি গ্যাস শাট ডাউন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পেট্রোবাংলার কোম্পানী তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন লিমিটেড। তবে এ সময় সীমা শেষে হওয়া স্বত্তেও এখনও গ্যাস সরবরাহ চালু হয়নি। এ কারণে জেলার আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্যাসের গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়ার গৃহিণী রুহিনা পারভীন বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকাতেই তাদের রান্নায় চরম সমস্যা পোহাতে হয়েছে। গ্যাস কোম্পানির বন্ধ রাখার সে সময়সীমা শেষ হওয়া স্বত্তেও গ্যাস চালু না হওয়ায় রাতেও তাদের রান্নার কাজে চরম সমস্যা হচ্ছে। কখন গ্যাস চালু হবে এ নিয়েও বিভ্রান্তিতে আছেন বলেও জানান তিনি।গ্যাসের বাণিজ্যিক গ্রাহক নিরালা হোটেলের মালিক ও জেলা হোটেল মালিক সিমিতির সাধারণ সম্পাদক মির্জা মাসুদ রুবল জানান, সারাদিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় ব্যবসায় চরম ক্ষতি হয়েছে তাদের। প্রতিটি হোটেল ব্যবসায়ীকে রান্না নিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। শহরাঞ্চলের হোটেল গুলোতে গ্যাসের চুলা ব্যতীত অন্য কোন চুলার ব্যবহার না থাকায় এ সমস্যা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। এতে যেমন গ্রাহকের সমস্যা হয়েছে, তেমনি চুলার অভাবে অনেক হোটেলই রাখতে হয়েছে বন্ধ। এতে হোটেল ব্যবসায়ীদের চরম ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।রাত ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পেট্রোবাংলার কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিশন লিমিটেড গাজীপুর কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক ও গ্যাস সরবরাহ কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিকীর সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়।আরিফ উর রহমান টগর/জেএইচ